আলমডাঙ্গার ঘোষবিলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার দাতা-পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার মেজর (অব.) সাইদুর রহমান (বীর প্রতিক) অভিযুক্ত এক ব্যক্তির সংবাদ সম্মেলনকে ‘ভিত্তিহীন, মিথ্যাচারপূর্ণ ও প্রতারণামূলক’ আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ঝিনাইদহ জেলার আড়পাড়া গ্রামের মো. সাইদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি অনলাইনে ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে ঘোষবিলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক দাবি করে এমপিওর আবেদন করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভুয়া ও মিথ্যা।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০১৬ সাল থেকে সরকারি বিধি মোতাবেক জমি, অবকাঠামো, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ঘোষবিলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে আসছেন সুবেদার মেজর (অব.) সাইদুর রহমান (বীরপ্রতিক)। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সরকারি সুযোগ সুবিধা নিতে চাচ্ছেন।
অভিযোগকারী জানান, তিনি ইতোমধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ও শিক্ষা সচিবের নিকট লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন। এছাড়া স্থানীয়ভাবে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
তদন্তের অংশ হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. ইমরুল হক ২৮ আগস্ট উভয় পক্ষকে উপস্থিত থাকার নোটিশ দেয়। অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকায় পুনরায় ২৪ সেপ্টেম্বর তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। তদন্তের দিনে অভিযোগকারীর পক্ষ থেকে জমির কাগজ, শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীসহ সকল প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়, কিন্তু অভিযুক্ত কোনো প্রমাণপত্র দিতে ব্যর্থ হন।
এদিকে, অভিযুক্তের পক্ষ থেকে মো. সোহেল নামে একজন ২৫ সেপ্টেম্বর অফিস চলাকালে প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা না করে সাংবাদিকদের সহায়তায় এলাকায় অপপ্রচার ও মিথ্যাচার চালান, এমন অভিযোগও করেন মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান। তিনি দাবি করেন, অভিযুক্ত মো. সাইদুর রহমান আসলে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার হাজিপুর মুন্দিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার (ইনডেক্স নম্বর- ২৩/০০৭৫৩) প্রধান শিক্ষক, ঘোষবিলা মাদ্রাসার নয়।
সমীকরণ প্রতিবেদন