দামুড়হুদা, দর্শনা ও জীবননগর থানাধীন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে তারা একে একে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় তারা ভক্ত ও আয়োজকদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্গাপূজা আমাদের দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উৎসব। আমরা চাই, ভক্তরা আনন্দ ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদ্যাপন করুন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহায়তা থাকবে। এসময় সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’
পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা বলেন, ‘দুর্গাপূজার সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।’ তিনি আরও জানান, প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সময়মতো বিসর্জন অনুষ্ঠান শেষ করার মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, এ বছর চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট ১১৩টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাশি সাদা পোশাকে ডিবি, ডিএসবি ও ট্রাফিক পুলিশও মাঠে কাজ করছে। পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সফরসঙ্গী ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক