বাংলাদেশ শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের দর্শনা কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিটের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাদ মাগরিব দর্শনা কেরুজ জামে মসজিদে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সীরাত মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাড. রুহুল আমিন।
বক্তা ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মো. আজিজুর রহমান, মাজলিসুল মুফাসসিরিনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আবু জার গিফারী, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. আব্দুল কাদের, দর্শনা থানা আমির মাওলানা রেজাউল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ও দর্শনা পৌর আমির মো. সাহিকুল আলম।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা আমির রুহুল আমিন বলেন, মানুষের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসুল (সা.)-এর মাধ্যমে কোরআন নাজিল করেছেন। আর রাসুল (সা.) তাঁর ২৩ বছরের নবুয়তের জীবনে আমাদের জন্য এই জীবন বিধানকে হাতে-কলমে শিখিয়ে গেছেন। সুতরাং কোরআন-হাদিসই হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রদর্শিত একমাত্র পথ। এর বাইরে কোনো মতপথের অনুসারী হওয়া কোনো মুসলমানের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী মানবতার কল্যাণ, দেশ পরিচালনার জন্য যোগ্য মানুষ তৈরি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ ভিশন বাস্তবায়নের জন্য আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই। প্রসঙ্গক্রমে তিনি কেরু অ্যান্ড কোম্পানির শ্রমিকদের জেলার ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প কমপ্লেক্সকে রক্ষায় আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষেরা কেরুর মাধ্যমে সারাদেশে এই জেলাকে সম্মানের আসনে সমাসীন করেছেন। আমাদের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে যে কোনো মূল্যে এটিকে রক্ষা করতে হবে।
বাদ এশা তিনি দর্শনার হরিজন সম্প্রদায়ের সাথে দেখা করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এসময় তাদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের ধর্মীয় পরিচয় আলাদা হলেও আমরা সকলেই বাংলাদেশি। সুতরাং এই দেশে বসবাসকারী সবার সাথে আমরা মিলেমিশে দেশকে গড়তে চাই। ইসলাম সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থান নিশ্চিত করেছে। আপনারা আপনাদের ধর্ম পালন করবেন, কেউ বাধা দেবে না। আমরা আপনাদের যে কোনো সমস্যায় সর্বদা পাশে আছি।’
দর্শনা অফিস