রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলমডাঙ্গার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চুয়াডাঙ্গার ডিসি ও এসপি

ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত
  • আপলোড তারিখঃ ৩০-০৯-২০২৫ ইং
আলমডাঙ্গার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চুয়াডাঙ্গার ডিসি ও এসপি

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা আলমডাঙ্গার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়া পূজামণ্ডপে উপস্থিত হলে মন্দির কমিটির সদস্যবৃন্দ তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার স্টেশনপাড়া পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি জয় বিশ্বাস, সম্পাদক দেবদাস বেদসহ নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করে পূজার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
পরে কালিদাসপুর পূজামণ্ডপে পরিদর্শনে গেলে মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু শুশীল কুমার ভৌতিকা ও সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনীন্দ্রনাথ দত্ত জেলা প্রশাসক ও তার সফরসঙ্গীদের অভ্যর্থনা জানান। সেখানে জেলা প্রশাসক বেশ কিছুক্ষণ তাদের সাথে মতবিনিময় করে সার্বিক খোঁজখবর নেন। সেখান থেকে জেলা প্রশাসক আলমডাঙ্গা রথতলা দুর্গামন্দির পরিদর্শনে যান।


এসময় তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মেহেদী ইসলাম, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান, তদন্ত ওসি আজগর আলী, কেন্দ্রীয় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বাধীন বাবু, জেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সদস্যসচিব হীরালাল দে, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মনীন্দ্রনাথ দত্ত, আলমডাঙ্গা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি শ্রী অমল কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক পরিমল কুমার কালু ঘোষ প্রমুখ।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, আলমডাঙ্গার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে দেখলাম, এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভালো। এছাড়াও হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের লোক একসাথে ধর্মীয় উৎসব পালন করছে। এছাড়াও প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।’


চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার বলেন, ‘আমরা চুয়াডাঙ্গার প্রত্যেক উপজেলার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছি। আলমডাঙ্গায় মন্দির পরিদর্শনে এসে আমার একটা বিষয় খুবই ভালো লেগেছে- একটি মন্দিরের দায়িত্ব পালন করছেন একজন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশই তো দেখতে চেয়েছিলাম আমরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে ভালো লেগেছে। আমরা প্রত্যেক মন্দিরে পুলিশ, আনসারসহ স্বেচ্ছাসেবক দল রেখেছি, যেন আপনারা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত