চুয়াডাঙ্গার জাফরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতিয়ার খলিফা (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামের খলিফাপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। এসময় গুরুতর জখম আতিয়ারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি খলিফাপাড়া মুন্নাফ খলিফার ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গাছে গরু বাঁধা ও গোবর ফেলা নিয়ে আতিয়ার ও তার ভাতিজা ফয়সাল খলিফার (২০) মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতির সময় ফয়সাল চাপাতি দিয়ে আতিয়ারের বুকের বাঁ পাশে কোপ মারে। এতে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আতিয়ার। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফয়সাল খলিফা একই এলাকার রশিদ খলিফার ছেলে ও আতিয়ারের চাচাতো ভাতিজা।
আতিয়ারের বড় ভাই টুকু খলিফা বলেন, ‘পৌনে একটার দিকে আমি সাইকেল চালিয়ে বাড়িতে ফিরে দেখি আতিয়ার ও ফয়সাল তর্কাতর্কি করছে। সাইকেল রেখে সেখানে পৌঁছাতেই দেখি ফয়সাল একটি ছোট কুড়ালের মত অস্ত্র দিয়ে আমার ভাইকে তাড়া করে বুকে কোপ দেয়। তখনি আতিয়ার মাটিতে পড়ে যায়। তার সারা বুক রক্তে ভেসে যাচ্ছিলো। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতাল খেবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছে।
জখম আতিয়ার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার গরু আমাদের গাছে বেঁধে রাখি। কিন্তু ফয়সাল বলে তার নাকে গন্ধ লাগে। আজ গালাগালি করলে আমি তাকে নিষেধ করি। এসময় তার হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে আমার বুকে কোপ মেরে পালিয়ে যায়।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, ‘রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকের ওপরে ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক