চুয়াডাঙ্গায় ‘আমার চোখে বাংলাদেশ’ স্লোগানে ‘গণঅভ্যুত্থানে আকাঙ্ক্ষা, প্রাপ্তি ও আগামীর চিন্তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে চুয়াডাঙ্গার ছাত্র সমাজ। আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল আমার বাংলাদেশ পার্টি।
আলোচনা সভায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চুয়াডাঙ্গার সদ্য সাবেক সদস্যসচিব সাফফাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আমার বাংলাদেশ পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন রানা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৭২’এর সংবিধানে ৭১ এর আকাক্সক্ষার প্রতিফলন হয় নাই। বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার সাথে প্রথম প্রতারণা ৭২’এর সংবিধান। এরপর দেশে অনেক বিপ্লব গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। ৯০’এর গণঅভ্যুত্থানের পর এদেশে সেই চেতনার প্রতিফলন হয়নি। এখনো জুলাই এর আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন হয়নি। দেশের কিছু রাজনীতিবিদদের কথা, নির্বাচন। একেকজন একেক ভাবে ব্যাখ্যা দেয়। জুলাই এর আকাঙ্ক্ষা কি ছিল, তা গণঅভ্যুত্থানের সময় দেয়ালে দেয়ালে লেখা ছিল। আর কিছু দেখার দরকার নেই। বিপ্লবের সময় সারাদেশের লক্ষ্য লক্ষ্য দেয়া রেখা ছিল। তা দেখলেই হবে। ভোট তো হবেই। তবে একমাত্র ভোটের কারণে গণঅভ্যুত্থান হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই। যদি কেউ বলে, তাহলে আমি এদেশের দুই হাজার শহিদ পরিবার, ২৬ হাজার আহত যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে, চার হাজার অন্ধ-পঙ্গুত্ববরণকারী যোদ্ধাদের নিয়ে প্রতিরোধ করবো।’
শিক্ষার্থী ও জুলাই যোদ্ধা মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় জুলাই শহিদ শাহরিয়ার শুভের পিতা আবু সাঈদ, জুলাই শহিদ মাসুদ রানার পরিবারের সদস্য বাবুল আক্তার, আমার বাংলাদেশ পার্টির জেলা নেতা মুসআব ইবনে শাফায়াত, ছাত্রপক্ষের নেতা রাকিব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহত যোদ্ধা হাসনা জাহান খুশবু, শোলেমিন হোসেন সোহান, মাহফুজ হোসেন, সাগর, তানজিদ আহমেদ তম্ময়, শাখাওয়াত, আসাদুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাংবাদিক মেহেরাব্বিন সানভী ও সাকিব আল হাসান।
আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শিক্ষার্থী ও জুলাই যোদ্ধা ফাহিম উদ্দীন মভিন, মাহবুব ইসলাম আকাশ, সুমন সরদার, মঈন আশরাফ অনিক প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক