রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি
চুয়াডাঙ্গায় সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় সারের বরাদ্দ, মজুদ ও উত্তোলনের চিত্র

সময়মতো কৃষকের হাতে সার পৌঁছানোর ওপর জোর

  • আপলোড তারিখঃ ১৮-০৮-২০২৫ ইং
সময়মতো কৃষকের হাতে সার পৌঁছানোর ওপর জোর

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন, কৃষিখাতে সরকার সার ৩০০% ভতুর্কি দিয়ে থাকে। দেশের খাদ্য উৎপাদন যাতে ঠিক থাকে, এ জন্য সরকার এ ভতুর্কি দেয়। এতে দেশের কৃষিখাতে লাভ হয়। যদি দেশের কৃষিখাত থেকে উৎপাদন থমকে যায়, তাহলে বাইরের দেশ থেকে সেগুলো আমদানি করতে হবে। সেক্ষেত্রে বর্তমান ভতুর্কির চেয়ে আরও অনেক বেশি খরচ পড়ে যাবে।


এছাড়া কৃষিখাতে অনেকের কর্মসংস্থান হয়। আমাদের দেশে কৃষি বিভাগের জনবল অনেক। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এ বিভাগের লোকবল আছে। জেলায় ফসলের আবাদ বেশি হওয়ায় এখানে সারের চাহিদাও বেশি। আবার এখানে এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা থাকে না, পুরোটাই আবাদ হয়ে থাকে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করব, কৃষিখাতকে এগিয়ে নিতে। পাশাপাশি সার ও বীজ মনিটরিং কমিটিরও দায়িত্ব আছে, কৃষি ও কৃষকদের সহযোগিতা করা। দিনশেষে কৃষক যাতে সময় মতো সার পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’


গতকাল রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। চুয়াডাঙ্গার কৃষকদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জমিতে পরিমাণ মতো সার দিতে হবে। অনেক কৃষক মনে করে সার বেশি দিলে উৎপাদন বাড়বে, এটা একদমই ভুল। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার দিলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। সে কারণে জেনে বুঝে জমিতে সার ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ রাখতে হবে।


সভায় জানানো হয়, আগস্ট মাসে ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ছিল ৪ হাজার ৫৩৩ মেট্রিক টন, উত্তোলন করা হয়েছে ১ হাজার ৩১ মেট্রিক টন। পূর্বের মাসের বরাদ্দ হতে উত্তোলন করা হয়েছে ৩৩১ মেট্রিক টন, অনুত্তোলিত সারের পরিমাণ ৩ হাজার ৫০২ মেট্রিক টন, বর্তমানে মজুদ আছে ৩ হাজার ৯৬৩ মেট্রিক টন। এছাড়া টিএসপি সার মজুদ আছে ৬২৭ মেট্রিক টন, এমওপি মজুদ আছে ১ হাজার ৪২৪ মেট্রিক টন ও ডিএপি মজুদ আছে ১ হাজার ৩০৬ মেট্রিক টন। সভায় মৃত্যুজনিত কারণে বিএডিসির নিবন্ধিত সার ডিলারশিপের মালিকানা পরিবর্তন ও বিএডিসি বীজ ডিলার হতে বিএডিসি সার ডিলার সম্পর্কে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।


সভায় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভীন, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অভিজিত কুমার বিশ্বাস, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির সুবেদার মহিদুল ইসলাম, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামসহ জেলার সার ডিলারগণ।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত