বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি
লোকে লোকারণ্য আলমডাঙ্গা শহর, বিএনপির জনসভায় উৎসবের আমেজ

বিএনপির শক্ত অবস্থান জানান দিল আলমডাঙ্গার মানুষ

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-০৮-২০২৫ ইং
বিএনপির শক্ত অবস্থান জানান দিল আলমডাঙ্গার মানুষ

আলমডাঙ্গা উপজেলায় বিএনপির জনসভায় সাধারণ মানুষের ঢল নামে। শহরজুড়ে লোকে লোকারণ্য অবস্থার সৃষ্টি হয়। জনসভাস্থলে তিল ধারণের জায়গা যেমন ছিল না, তেমনি আলমডাঙ্গা শহরের অলি-গলি, সড়ক-মহাসড়ক হাজার হাজার মানুষের পদচারণা ও নানা স্লোগানে মুখরিত হয়। বিভিন্ন স্থান থেকে নেতা-কর্মীদের ঢাক-ঢোল পিটিয়ে আনন্দ করতে দেখা যায়। আবার কেউ কেউ উপস্থিত হন বাদ্যযন্ত্র হাতে। দীর্ঘদিন পরে আলমডাঙ্গা শহরে বিএনপির এই বিশাল জনসভা জানান দিচ্ছে মানুষের ভালোবাসার।


সরেজমিনে গতকাল শনিবার বেলা তিনটায় আলমডাঙ্গা থানা রোডের এরশাদ মঞ্চে গিয়ে দেখা যায়, ধীরে ধীরে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল ও ব্যানার সহকারে উপস্থিত হচ্ছেন। সময়ের সাথে সাথে দলে দলে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেল চারটায় আয়োজনের কথা থাকলেও তার আগে থেকেই মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আলমডাঙ্গা এরশাদ মঞ্চ ও এর আশপাশের এলাকা, উপজেলা পরিষদ চত্বর, মডেল মসজিদ চত্বর এমনকি থানা রোড পুরো লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরেই বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার সাথে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ একটি ছাদ খোলা গাড়িতে করে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় জনসভায় উপস্থিতিরা স্লোগানে স্লোগানে বরণ করে নেন প্রিয় নেতাকে। বিশাল এই জনসভায় আলমডাঙ্গায় বিএনপির শক্ত অবস্থানকে আবারো জানান দিলো।


এদিকে, এই জনসভা কেন্দ্র করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যেমন স্বতঃস্ফুর্ত অংশ নেন, তেমনি আলমডাঙ্গার সাধারণ মানুষও এই আয়োজন দেখতে উপস্থিত হন। বিশেষ করে এ ধরনের রাজনৈতিক সভায় দেখা যায় অনেক অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে। তাঁদের কথা অনুযায়ী তাঁরা কেউ কেউ এসেছেন বিএনপির কর্মসূচি থেকে কী বার্তা দেয়া হবে, সেটা জানতে। আবার কেউ কেউ মো. শরীফুজ্জামান শরীফের প্রতি ভালোবাসায় এসেছেন।


নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়ে উপস্থিত এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি না। ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে একমাত্র বিএনপিই বুক পেতে আন্দোলন করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাজনীতির মাঠে অন্য দলকে আমি কর্মসূচি পালন করতে দেখিনি। চুয়াডাঙ্গায় মো. শরীফুজ্জামান শরীফকে দুঃসময়েও বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাশে দেখেছি। তাই আজ তার জনসমাবেশ হবে শুনে দেখতে এলাম, মানুষ কেমন হয়। যা দেখলাম, তাতে বিশ্বাস করি ভবিষ্যতের নেতা আমাদের মাঝেই রয়েছেন।’
কলেজ শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি এ জেলায় থাকি না। নিজ জেলা হলেও চাকরির সুবাদে বাইরে থাকতে হয়। আমার চাচাতো ভাই বিএনপি করে। তাকে বছরের পর বছর নির্যাতিত হতে দেখেছি। তখন তার পাশে যে নেতারা ছিল, তাদের অনেকেই এখন চুপচাপ। অথচ তারাই তো ত্যাগী কর্মীদের পাশে ছিলেন। মো. শরীফুজ্জামান শরীফের জনসভা শুনে দেখতে এসেছি। তিনি ত্যাগী ও ফ্যাসিস্টদের দ্বারা নির্যাতিত নেতা। আমার চাচাতো ভাই বিএনপি করলেও আমাকে বলেনি। তারপরও মো. শরীফুজ্জামান ভাই প্রধান অতিথি শুনে এসেছি।’



কমেন্ট বক্স
notebook

দর্শনা ডিএস মাদ্রাসায় ১১ বছরে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ