রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গা ভি. জে স্কুলে একাডেমিক ভবন নির্মাণে সাটারিংয়ে অনিয়ম

শিডিউল মেনে তবেই ঢালাই: নির্বাহী প্রকৌশলী
  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০৭-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গা ভি. জে স্কুলে একাডেমিক ভবন নির্মাণে সাটারিংয়ে অনিয়ম

চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি (ভি. জে) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণে সাটারিংয়ে অনিয়ম দেখা গেছে। শিডিউল অনুযায়ী সাটারিংয়ে স্টিল পাইপ ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও কোথাও কোথাও বাঁশ-কাঠের ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে নির্মাণকাজ দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা করছেন প্রকৌশল অভিজ্ঞরা। সেই সাথে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় স্কুল চলাকালীন দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন অভিভাবকরা।


সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রথম তলার ছাদ, বিম ও পিলারের সাটারিংয়ে সম্পূর্ণভাবে স্টিল ফ্রেম ব্যবহার করা হয়নি। অনেকাংশে ব্যবহৃত হয়েছে স্টিলের বদলে বাঁশের খুঁটি। বিদ্যালয় চলাকালে নির্মাণকাজ চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরাও রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। এই ভবনের নির্মাণ কাজে প্রায় ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। টেন্ডার অনুযায়ী কাজ পেয়েছে ঢাকার মিরপুরের মেসার্স মিরন এন্টারপ্রাইজ। তবে কাজটি করছেন চুয়াডাঙ্গার কয়েকজন ঠিকাদার। ইতোমধ্যে ভবনের ভিত, সিঁড়ি ও নিচতলার একাংশের কাজ শেষ হয়েছে।


অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, ‘বিদ্যালয় চলাকালীন এভাবে নিরাপত্তাহীন অবস্থায় নির্মাণ কাজ চলছে। এরমধ্যেই শিশুরা খোলা জায়গায় খেলাধুলাও করছে। নির্মাণাধীন সাইটটিতে নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, দায় নেবে কে?’ এদিকে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্মাণ তদারকির জন্য ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শিক্ষক পরিমল কুমার পাল জানান, তিনি শাটারিংয়ে কাঠ ও বাঁশ ব্যবহার নিজে দেখেছেন, তবে এসব ব্যবহার ঠিক কি না- তা তার জানা নেই।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জেসমিন আরা খাতুন বলেন, ‘নির্মাণকাজের শাটারিংয়ে বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার হচ্ছে, যা শিডিউল অনুযায়ী নয়। তবে ইঞ্জিনিয়ার জানিয়েছেন, এসব সাময়িকভাবে স্থাপন করা হয়েছে, ঢালাইয়ের পূর্বে তা তুলে ফেলা হবে। আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।’


এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে আশরাফুল আলম বলেন, ‘এখনও সাটারিংয়ের ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়নি। ঢালাইয়ের আগে কাঠ ও বাঁশের শাটারিংগুলো সরিয়ে ফেলা হবে।’ এ বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি নিজে ভবনটি পরিদর্শন করেছি। বাঁশ-কাঠ ব্যবহার না করতে ঠিকাদারকে বলে দেওয়া হয়েছে। ঢালাইয়ের আগে সেগুলো সরিয়ে ফেলা হবে।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত