‘কৃষকরা যেন সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার পান, সেটি যেকোনো মূল্যে নিশ্চিত করতে হবে’- চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কোনো ডিলার যদি কৃষকদের কাছ থেকে সারের অতিরিক্ত মূল্য নেয়, তাহলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। সার বরাদ্দে চুয়াডাঙ্গায় কোনো ঘাটতি নেই, ডিলাররাও সময়মতো সার পেয়েছেন।
গতকাল রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, যখন বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ ওঠে, তখনই চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে হবে, সেই ডিলার কখন সার উত্তোলন করেছে, কাদের মাঝে কীভাবে বিতরণ করেছেন। অভিযোগ এলেই সরেজমিনে যাচাই করতে হবে। সত্য উদ্ঘাটন ছাড়া সঠিক সিদ্ধান্ত আসবে না।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মিঠু চন্দ্র অধিকারী, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) দেবাশীষ কুমার দাস, জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার নুরুল ইসলাম, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার, পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, বিএসডিসির ডিএডি শংকর দাস, প্রেসক্লাব সভাপতি রাজীব হাসান কচি এবং জেলার বিভিন্ন সার ডিলারবৃন্দ।
সভায় জেলার সার ও বীজ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি খুচরা সার বিক্রেতা নিয়োগ, নির্ধারিত ইউনিয়নে বিসিআইসি সার ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন, বিএডিসি ডিলার পরিবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক শেষ বক্তব্যে বলেন, এখন থেকেই কঠোর নজরদারি রাখতে হবে, যাতে কৃষকরা প্রতারিত না হন। ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে গেলে শুধু কৃষকই নয়, উন্নয়নও নিশ্চিত হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক