রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ডুগডুগি পশুহাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়

টাকার অঙ্ক ছাড়াই রশিদ
  • আপলোড তারিখঃ ০২-০৬-২০২৫ ইং
ডুগডুগি পশুহাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়


চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী ডুগডুগি পশুহাটে স্থানীয় এক সাংবাদিকের কাছ থেকে খাজনা বেশি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর হাট মালিক কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে নেয়। গতকাল সোমবার বিকালে ডুগডুগি পশুহাটে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দামুড়হুদা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রকিবুল হাসান তোতা বাড়িতে পালার জন্য ডুগডুগি পশুহাট থেকে ৪৬ হাজার টাকায় একটি বকনা গরু ক্রয় করেন। গরু কেনার পর তার কাছ থেকে ৯০০ টাকা খাজনা ও ৫০ টাকা মহুরির খরচ নেওয়া হয়, যা মোট ৯৫০ টাকা। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই খাজনার রশিদে কোনো টাকার অঙ্ক লেখা ছিল না। রশিদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় তিনি বারবার অনুরোধ করলেও হাট মালিকদের কেউ কর্ণপাত করেননি।


পরে তিনি দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতিকে বিষয়টি জানান। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে.এইচ. তাসফিকুর রহমান, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীরসহ সংশ্লিষ্টরা খোঁজখবর নেয়। এত হাট কর্তৃপক্ষ নিজের ভুল স্বীকার করে আদায় করা অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়। যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।



রকিবুল হাসান তোতা বলেন, ‘আমি হাটে গিয়ে পরিচয় দিয়েছি যে আমি সাংবাদিক, প্রেসক্লাবের নেতা এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। আমি স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেছিলাম অতিরিক্ত খাজনা না নেওয়ার জন্য, তবু শোনা হয়নি। যেখানে প্রতি গরুর জন্য ৩০০ টাকা খাজনা ধার্য, সেখানে ডুগডুগি পশুহাটে একটি গরুর জন্যই ৯০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। ঈদুল আজহার শেষ হাট উপলক্ষে এভাবে অতিরিক্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে সকল ক্রেতার কাছ থেকেই।


তিনি আরও বলেন, ‘আমারকষ্ট এখানেই যে, বর্তমানে হাটটি বিএনপির সিনিয়র ভাই-ব্রাদাররা পরিচালনা করছেন। দলীয় পরিচয় দেওয়ার পরও যদি আমাকে ছাড় না দেওয়া হয়, তবে সাধারণ মানুষ কী আশা করবে? এখন আমার প্রশ্ন, এই ভাই-ব্রাদারদের কাছে আমরা আগামীতে কী আশা করব?’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাট মালিকরা ব্যস্ততার অজুহাতে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরপরই খোঁজখবর নিয়েছি এবং হাট মালিকপক্ষের একজন প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি সাফ জানিয়ে দিয়েছি, প্রত্যেকটি রশিদে সঠিক টাকার অঙ্ক থাকতে হবে, কোনোভাবেই অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া যাবে না। যদি আবারও এমন অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে হাটের ইজারা বাতিল করা হবে।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত