রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরে মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ১০ দোকান

প্রায় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই
  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং
জীবননগরে মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ১০ দোকান

জীবননগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে পৌর শহরের কাঁচা বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জীবননগর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার মো. আব্দুল মোহাইমেন তুষার। তিনি বলেন, ‘রাত ১টা ৩৩ মিনিটে টহলরত পুলিশের মাধ্যমে আমরা অগ্নিকাণ্ডের খবর পাই। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।’


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার মো. আব্দুল মোহাইমেন তুষার আরও বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় সাইফুল ইসলামের খাবারের হোটেল থেকে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে বাজারের নৈশপ্রহরী রেজাউল ইসলাম জানান। মুহূর্তেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।’


গতকাল মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারের একাংশ পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা পোড়া ছাইয়ের স্তূপে মালপত্রের অবশিষ্ট খুঁজে বেড়াচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ও কর্মচারীরা চরম হতাশায় নিস্তব্ধ বসে ছিলেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী আকাশ মিয়া জানান, তার ২৫ লাখ টাকার মালামাল আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। সাখাওয়াত হোসেনের খাবারের হোটেলের সাড়ে ৩ লাখ, আমিনুল ইসলামের মুদি দোকানের ২০ লাখ, সাইফুর রহমানের মুদি দোকানের ২০ লাখ, একই সঙ্গে আমিনুলের গোডাউনের ১৫ লাখ, ফারুক উদ্দিনের গোডাউনের ৫ লাখ, শাহিন মোল্লার গোডাউনের ১০ লাখ, আরব আলীর জুতার দোকানের ১ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। এছাড়াও অস্থায়ী কাপড়ের দোকানদার তরিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম ও মিজান হোসেনের দোকানের আসবাবপত্রও আগুনে পুড়ে গেছে।


ক্ষতিগ্রস্ত হোটেল ব্যবসায়ী রানা হোসেন জানান, কিছু দোকানে গোডাউন ছিল। ঈদ উপলক্ষে অনেকে মালপত্র জমিয়ে রাখা হয়েছিলো। বিশেষ করে সয়াবিন তেল থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে। চায়ের দোকানের ফ্রিজসহ নানা মালপত্র পুড়ে গেছে। আমাদের হিসেব অনুযায়ী মোট ক্ষতি প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা।


জীবননগর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম আর বাবু বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে যাই। গিয়ে দেখে মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়। ঈদের আগ মুহূর্তে আগুনে আমরা দোকানদাররা নিঃস্ব হয়ে গেছি। সব মালামাল পুড়ে এখন পথে বসেছি।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত