রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

৮ বছর পর আলমডাঙ্গার আলোচিত ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার রায়

পলাতক দুই আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড
  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং
৮ বছর পর আলমডাঙ্গার আলোচিত ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার রায়

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার হওয়া দুই পলাতক আসামিকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়ার গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে জোবায়ের হোসেন (৩৩) ও রাজবাড়ীর পাংশার উদয়পুর গ্রামের আমিন সর্দারের ছেলে শাহিন সর্দার (৩৭)। অপর দিকে, মামলার বাকি পাঁচ আসামি কুষ্টিয়ার খোকসার থানার শিমুলিয়া গ্রামের আলতাফ হোসেন (৫২), আলমডাঙ্গার বড় বোয়ালিয়ার সালাউদ্দীন (৪১) ও আশরাফ (৩৭), কুমারখালীর গট্টিয়ার ফরহাদ (৩৩) এবং কুষ্টিয়া সদরের আমলাপাড়ার সুমন শেখকে (৩৪) ৩৯৯/৪০২ ধারার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।


মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানার জামজামি পুলিশ ক্যাম্পের এসআই বাবুল হোসেন ফোর্সসহ ঘোষবিলা শ্রীনগরের গলাইদড়ি ব্রিজ সংলগ্ন একটি পানবরজে অভিযান চালান। ওই সময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে থাকা ১০-১২ জনকে ধাওয়া করে জোবায়ের হোসেন ও শাহিন সর্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে তিনটি ককটেল সদৃশ বস্তু, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দিনই এসআই বাবুল হোসেন বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর ৩২, তারিখ ২৬/০১/২০১৭। দণ্ডপ্রাপ্ত জোবায়ের হোসেন ও শাহিন সর্দার ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তারের পর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ডাকাতির প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছিলেন। ঘটনার ৮ বছর পর আদালতের রায়ে নিষ্পত্তি হলো আলোচিত এই ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার।


আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩৯৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। তবে একই মামলার ৪০২ ধারার অভিযোগ থেকে তাদের খালাস দেওয়া হয়। আসামিদ্বয় পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন। দণ্ড কার্যকরের তারিখ হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের দিন গণ্য হবে। দণ্ডিতদের পূর্ববর্তী হাজতবাসের মেয়াদ দণ্ড থেকে বিয়োজন করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. মশিউর রহমান পারভেজ বলেন, ‘অভিযোগপত্রভুক্ত প্রধান দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বিচারক আইনের ভিত্তিতে তাদের যথোপযুক্ত দণ্ড দিয়েছেন। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকায় আদালত খালাস দিয়েছেন, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত