সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

৩৩ বছর পর পঁচা হুজুরের কাছে সন্তানের স্বীকৃতি দাবিতে রঙ্গিলা বেগম

  • আপলোড তারিখঃ ০১-১০-২০১৭ ইং
৩৩ বছর পর পঁচা হুজুরের কাছে সন্তানের স্বীকৃতি দাবিতে রঙ্গিলা বেগম
দামুড়হুদার চিৎলা-গোবিন্দহুদায় গৃহকর্তার কলেজপড়–য়া ছেলের লালসার শিকার গৃহপরিচারিকা দামুড়হুদা প্রতিনিধি: দামুড়হুদার চিৎলা-গোবিন্দহুদা গ্রামে ৩৩ বছর পর সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে মানবতা ফাউন্ডেশনে আবেদন করেছে রঙ্গিলা বেগম। দামুড়হুদা বাজারের বিশিষ্ট ফার্নিচার ব্যবসায়ী চিৎলা-গোবিন্দহুদা গ্রামের পঁচা হুজুরকে পিতা দাবি করে তার কাছে সন্তানের স্বীকৃতি চেয়েছেন তিনি। ৩৩ বছর আগে গৃহপরিচারিকাকে দেহভোগ করে গৃহকর্তার কলেজপড়ুয়া ছেলে এই পচা হুজুর। দেহভোগের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে জন্ম নেয় মেয়ে রঙ্গিলা। দামুড়হুদা বাজারের বিশিষ্ট ফার্নিচার ব্যবসায়ী পঁচা হুজুরের কাছে সন্তানের স্বীকৃতি চায় রঙ্গিলা বেগম। বর্তমানে তার বয়স ৩৩ বছর। ৩৩ বছর আগে রঙ্গিলার মা ১৫/১৬ বছর বয়সে পরের বাড়ীতে ঝি’এর কাজ করতে গিয়ে গৃহকর্তার কলেজপড়ুয়া ছেলে পচা হুজুরের লালসার শিকার হয়। পঁচা হুজুর তাকে (রঙ্গিলার মা) নিয়মিত দেহভোগ করার একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। জন্ম নেয় রঙ্গিলা। সেসময় বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রাম্য শালিসে পচা হুজুরের সাথে তার (রঙ্গিলার মা) বিয়ে হয়। ধর্ষণের দন্ডস্বরুপ কিছু জমি লিখে দেয় রঙ্গিলার মায়ের নামে। এদিকে, ধর্নাঢ্য পরিবারের সন্তান পচা হুজুর কিছু দিন না যেতেই তালাক দেয় রঙ্গিলার মাকে। পরে যখন রঙ্গিলার বয়স ১৫/১৬ বছর হলো, মেয়ের সুখের কথা ভেবে পঁচা হুজুরের দেয়া জমি বিক্রি করে রঙ্গিলার বিয়ে দেয় তার মা। মাথা গোজার ঠাই হারিয়ে পরের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ঝিয়ের কাজ করে চলে রঙ্গিলার মা। রঙ্গিলার ঘর আলোকিত করে বিয়ের দুই বছর ও ৪ বছরের মাথায় জন্ম নেয় দুই পুত্র সন্তান। কিন্তু শুরু হয় স্বামীর নির্যাতন। ‘জন্মের ঠিক নেই’ বলে অহোরাত্র গালি দেয়ার এক পর্যায়ে তালাক দেয় রঙ্গিলাকে। সন্তানসহ মায়ের কাছে ফিরে পরের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মা ও মেয়ে ঝি’এর কাজ করে চলেছে। পিতার স্বীকৃতি আর মাথা গোজার ঠাঁই পেতে সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আইনি সহায়তা চেয়ে গতকাল মানবতা ফাউন্ডেশনে আবেদন করেছে রঙ্গিলা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পচা হুজুর বলেন, বয়সকালে তো মানুষ কতো ভুলই করে। আমিও ভূল করেছিলাম, ভূলের মাশুল হিসেবে কিছু জমিজমাও দিয়েছিলাম। মানবতা ফাউন্ডেশনের পরিচালক এ্যাড. মানি খন্দকার বলেন, আমরা খুব শিগগিরি মেয়েটির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে ডিএনএ টেষ্ট এর আবেদনসহ কোর্টে মামলা দায়ের করবো। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী রঙ্গিলার পিতার পরিচয় দেওয়াসহ সব ধরনের অধিকার আদায় ফিরিয়ে দেওয়া হোক।


কমেন্ট বক্স
notebook

দুর্ঘটনায় নিহত রুয়েট শিক্ষার্থী রাফিদের লাশ চুয়াডাঙ্গায়