নানা ক্ষেত্রে অবদান ও ভালো কাজের স্বীকৃতি প্রদানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর ১০ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে সম্মাননা অনুষ্ঠান। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের তিন তারকা মানের হোটেল সাহিদ প্যালেসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজন চুয়াডাঙ্গা জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। উপজেলা-ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এ অনুষ্ঠানে। দুটি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও প্রায় সকল গণমাধ্যমের কর্মীসহ বিক্রয় প্রতিনিধিরাও উপস্থিত হয়েছিলেন সময়ের সমীকরণ-এর আয়োজনে। সকলের উপস্থিতি, উৎসবমুখর পরিবেশ আর ভালো কাজের স্বীকৃতি অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিজনেস অব চেম্বারের (বিডিচ্যাম) প্রেসিডেন্ট, সাহিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এনআরবি ওয়ার্ল্ডের প্রেসিডেন্ট, চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান, হোটেল সাহিদ প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক শরীফুজ্জামান শরীফ। অনুষ্ঠানে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান, হোটেল সাহিদ প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিককে দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সময়ের সমীকরণ-এর স্টাফদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সম্মাননা পান নিজস্ব প্রতিবেদক মেহেরাব্বিন সানভী, আলোচিত প্রতিবেদনে জীবননগর সহকারী অফিস প্রধান মিঠুন মাহমুদ, সর্বোচ্চ সংবাদ প্রেরক ঝিনাইদহ ব্যুরো প্রধান আসিফ কাজল, সেরা উদীয়মান প্রতিবেদক ক্যাটাগরিতে নিজস্ব প্রতিবেদক রুদ্র রাসেল, সেরা প্রতিবেদক (উপজেলা পর্যায়ে) দর্শনা অফিস প্রধান আওয়াল হোসেন, সেরা প্রতিবেদক (ইউনিয়ন পর্যায়ে) আন্দুলবাড়িয়া প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম মামুন, নিয়মিত ভিডিও প্রেরক হিজলগাড়ি প্রতিবেদক আরিফ হাসান, বার্তা বিভাগের কর্মনিষ্ঠায় সহকারী বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস ওয়াহিদ ও রিপন হোসেন, সেরা কম্পিউটার অপারেটর- বজলুল আলম জীবন (প্রধান কম্পিউটার অপারেটর), সেরা অনলাইন এক্টিভিস্ট সালেকিন মিয়া সাগর (অনলাইন ডেস্ক ইনচার্জ) এবং পত্রিকার নিয়মিত বিল পরিশোধ করায় দর্শনা অফিসের পক্ষে ওয়াসিম রয়েল।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত স্থানীয় পত্রিকাগুলোর সম্পাদকবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁরা হলেন- দৈনিক মাথাভাঙ্গার সম্পাদক-প্রকাশক সরদার আলামিন, দৈনিক আকাশ খবরের সম্পাদকের পক্ষে বার্তা সম্পাদক জিসান আহমেদ, দৈনিক পশ্চিমাঞ্চলের সম্পাদকের পক্ষে চিফ রিপোর্টার আহসান আলম এবং দৈনিক খাসখবরের প্রধান সম্পাদক রাজিব হাসান কচি।
এছাড়া চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত স্থানীয় পত্রিকাগুলোর সম্পাদকবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁরা হলেন- দৈনিক মাথাভাঙ্গার সম্পাদক-প্রকাশক সরদার আলামিন, দৈনিক আকাশ খবরের সম্পাদকের পক্ষে বার্তা সম্পাদক জিসান আহমেদ, দৈনিক পশ্চিমাঞ্চলের সম্পাদকের পক্ষে চিফ রিপোর্টার আহসান আলম এবং দৈনিক খাসখবরের প্রধান সম্পাদক রাজিব হাসান কচি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, যে ছেলেটা সকালের ঘুম বাদ দিয়ে পত্রিকাগুলি পাঠকের হাতে পৌঁছে দিতে যায়, তার অবদান আমাদের চেয়েও অনেক বেশি। যে ছেলেটা রাত ৩-৪টা পর্যন্ত জেগে নিউজ রেডি করে, তার অবদানও আমাদের চেয়ে অনেক বেশি। টাকা-পয়সা থাকলেই যদি একটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা যেত, তাহলে এই দেশে অনেক বড় বড় টাকা-পয়সার মালিক আছে, কিন্তু তার এভাবে ছোট থেকে অর্গানাইজেশন তৈরি করতে পারে না। খুব কম মানুষ পারে। আপনারা যদি না থাকতেন, তাহলে সমীকরণ ১০ বছরে পদার্পণ করতে পারত না।

তিনি আরও বলেন, ‘এই পত্রিকাটি বিগত সরকারের আমলেও যে ভূমিক রেখেছে, আগে পত্রিকা পড়লে প্রশাসন বুঝত, জেনুইন জিনিসটা কী বের হয়ে আসত। তাই আমি অনুরোধ করব, আগামী দিনেও যেন এটি কোনো দলীয় পত্রিকা না হয়। এটা যে ধারাবাহিকতায় চলছিল, সেভাবেই যেন পত্রিকাটি চলতে থাকে, কোনো দলীয় সিল যেন পত্রিকাটির গায়ে না লাগে।’

সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘আমি কখনো কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত না, কিন্তু বিগত দিনে কেউই আমাকে বিশ্বাস করে নাই। কারণ আমার ছোট ভাই রাজনীতি করে, এমপি ইলেকশন করেছে। এ জন্য সবাই মনে করে আমি তো বিএনপিরই লোক। তো এটা আমি কেন চাই, একচুয়ালি প্রত্যোকটা মানুষের একটা স্বপ্ন থাকে। আমার নিজের জন্য যা স্বপ্ন ছিল, আল্লাহ সব তা পূরণ করে দিয়েছে। আমি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত, আমার বয়স এখন ৫৭। কালকে আমার নিঃশ্বাস নাও আসতে পারে। কিন্তু আমি চুয়াডাঙ্গার জন্য ঋণী মনে করি। কেউ করে কি না জানি না, কিন্তু আমি করি।’

স্মৃতিচারণ করে সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘আমি আমাদের পুরাতন বাসা থেকে কেদারগঞ্জ আদর্শ স্কুলে যেতাম পড়তে। তখন কোটা ছিল না, সারা জেলার মধ্যে আমরা তিনজন স্কলারশিপ পেয়েছিলাম। একজন মেজর জেনারেল এখন, একজন বড় ডাক্তার, আরেকজন আমি। যে ফাস্ট গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছিল, তাকে অটোমেটিক ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেলে ভর্তি করত। আমি যখন দেখলাম আমার বন্ধু ওখানে চলে গেল। আমি ভি জে স্কুলে ক্লাস সিক্সে ভর্তি হলাম। কিন্তু আমার টার্গেটটা ছিল হাই। আমিও চিন্তা করলাম কীভাবে রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলে যাওয়া যায়। পরে আমিও গেলাম। কলেজটা আবার চুয়াডাঙ্গাতে পড়ছি। এই মাটির জন্য আসলে আমি ঋণ ফিল করি একচুয়ালি। আমি একা বড় হবো, এটা আমি চাই না। আমি এই ঋণটা শোধ করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় বলি চুয়াডাঙ্গা অবহেলিত জেলা। আমার বন্ধুরা কেউ অতিরিক্ত সচিব, তিনজন সচিব হয়ে গেছে, কেউ যুগ্ম সচিব। আপনারা তো জানেন, যত উন্নয়নমূলক কাজ হয়, প্রথমে তারই জানে কিন্তু। আমাদের দেশের যে সিস্টেম, এই এলাকার কোনো উন্নয়নকাজ করতে গেলে, এই এলাকার জনপ্রতিনিধির ডিও লেটার লাগে। আমি বহুবার বলেছি যে ৬-৭টি বড় প্রতিষ্ঠান হবে, আপনারা একটা আবেদন করে সচিবের কাছে পৌঁছে দেন। কিন্তু আমাদের এলাকার লোকজন বলে, `ওর ওতো চিন্তা কেন। ওর এসব করা লাগবে কেন। আমি আছি এখানে, আমি দেখব সবকিছু।` এটাই তাদের মানসিকতা। এখন আমি এই দেশের কিছু হতে চাই না। তবে আমি চাই, আমার ছোট ভাই এ দেশের এমপি হোক। কারণ কেউ যেন না বলতে পারে, ওর এত মাথাব্যথা কেন। আমি চেষ্ট করতে চাই, আমি বেঁচে থাকতে এই চুয়াডাঙ্গাকে আর কেউ যেন অবহেলিত না বলে। আমি জানি না আমি পারব কি না, কিন্তু আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি, এবং আমি এটা করতে চাই।’
সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘আমি যখন সোসাইটির প্রেসডিন্টে ছিলাম, বিজনেস চেম্বারের প্রেসিডেন্ট এখনো, এই পুরোটা সময় তো আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। তো একজন মন্ত্রী যখন বিদেশ যায়, একজন হাইকমিশনার যখন যায়, তখন সিঙ্গাপুরের কাউকে ডাকতে হয়। তখন তো সোসাইটির প্রেসিডেন্টকে প্রথমে ডাকতে হয়। আমরা তো সামাজিক কাজ করি। এই যে ধরেন, গেলাম, কিংবা আমার এখানে আসল তারা, ফটো তুললাম, তখন বলে যে আমি আওয়ামী লীগের দোসর। সিঙ্গাপুরে এসব ফটো তোলা কমন ব্যাপার। প্রাইম মিনিস্টার পর্যন্ত এগিয়ে এসে সেলফি তোলে। কিন্তু আমাদের দেশে ফটো তোলা এক প্রকার ভয়ঙ্কর ব্যাপার। ছবি তোলারও একটা বিড়ম্বনা আছে এই দেশে। আমাদের সামাজিকতার কারণে প্রত্যেকের সাথে ভালো রিলেশন রাখতে হয়।’
সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের মধ্যে ২-৩টি গ্রুপ করলে আপনাদের শক্তিগুলো কমে যায়। আমি তো ভেতরের খবর জানি না, অনেক কিছু থাকতে পারে। তবে যাদের মন বড়, আমি কারো কাছে গেলাম বলে তো আর ছোট হয়ে গেলাম না। আমরা চাই সবাই একসাথে মিলেমিশে থাকতে। এ জন্য আপনারা সাংবাদিকরা অন্তত যারা সমাজের বিবেক, প্রত্যেকটা চলাফেরার ক্ষেত্রে, প্রত্যেকটা কাজের ক্ষেত্রে যেন মানুষ মনে করে উনি একজন জার্নালিস্ট, উনি সহিহ রাস্তার মানুষ, ওনার সাথে মিশে আমি কিছু শিখতে চাই। ভালো মানুষের সাথে থাকলে ভালো মানুষ তৈরি হয়। আপনাদের দেখে যেন সমাজের মানুষের মনে করে আপনারা একজন ভালো মানুষ, ওনাদের সাথে মিশলে, ১০ মিনিট সময় ব্যয় করলে আমার কিছু শেখা হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘অনেক পরীক্ষা দিতে হয়েছে, বিশেষ করে আমাদের যারা মাঠকর্মী ছিল, পরিশ্রম করেছেন, তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই। এই পরিচ্ছন্ন সাংবাদিকতার ভেতর দিয়ে সময়ের সমীকরণ আজ একটি পর্যায়ে এসেছে। এবং একটি পত্রিকার গুণগত মানের দিক থেকে আজকে সমীকরণ এগিয়ে গেছে। স্থানীয়ভাবে যে পত্রিকাগুলো আছে, আমি চাই সবাই যেন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পাঠকদের মাঝে দিতে পারে, এবং সামাজিকভাবে পত্রিকাগুলো গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সংস্কারের জন্য সরকারকে এবং চুয়াডাঙ্গার মানুষকে এই পত্রিকার মাধ্যমে যেন সহযোগিতা করতে পারি। বিগত ১৬ বছরে যারা দুর্নীতি করেছে, সেই দুর্নীতিগুলো যেন আমরা তুলে ধরতে পারি, আর এই দুর্নীতিগুলো ভবিষ্যতে আর কেউ যেন করতে না পারে। আমরা যেন কারো দ্বারা ব্যবহৃত না হয়। এই দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমার যেটা মনে হয়, সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে যারা মাঠ পর্যায়ে সাংবাদিকতা করে। আমরা ব্যক্তি স্বার্থের জন্য সমঝোতা করতে পারি, কিন্তু এতে করে একটি সমাজ নষ্ট হয়ে যাবে, রাষ্ট্র নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা যারা এই পেশাই আছি, আমরা সবাই যদি এটা চিন্তা করি, আমার এই কলম, এই সমাজের জন্য কতটুকু কার্যকর, সেটি যদি আমরা সবাই বিবেক দিয়ে প্রশ্ন করি, তাহলে কিন্তু এর ফলাফল আমরা পেয়ে যাবো।
সে জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ করব, যে যার জায়গা থেকে, যে পেশাই আছেন, সেখান থেকে সমাজের উন্নয়নের জন্য, দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। এবং এই পত্রিকা যাতে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যায়। এবং এই চুয়াডাঙ্গার সাংবাদিকদের ভেতরে যেন ঐক্য থাকে, প্রেসক্লাবে যাতে ঐক্যবদ্ধতা থাকে, নিজেদের ভেতরে যেন কোনো বিভেদ সৃষ্টি না হয়।’
সভাপতির বক্তব্যে পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী, যারা আমাদের এই পথচলায় সহযোগিতা করেছেন, সাহস দিয়েছেন, আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তাদেরকে প্রেরণা দেয়ার জন্যই মূলত আজকের এই আয়োজনে তাদেরকে সম্মান জানাবো। সেই সাথে জেলার আমাদের যারা গণমাধ্যমকর্মী আছেন, যারা দীর্ঘসময় আমরা একসাথে পথ চলি। তারা একসাথে বসে সময় কাটাতে পারব, সেই প্রত্যাশা রেখেই আমরা আজকের এই আয়োজন করেছি। সামনের দিনের পথচলায় আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন, সহযোগিতা করবেন, এই প্রত্যাশা রাখছি।’
দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর নিজস্ব প্রতিবেদক মেহেরাব্বিন সানভীর প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দৈনিক মাথাভাঙ্গার সম্পাদক-প্রকাশক সরদার আল আমিন, দৈনিক খাসখবরের প্রধান সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজিব হাসান কচি, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মানিক আকবর, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সময়ের সমীকরণ-এর ঝিনাইদহ ব্যুরো প্রধান আসিফ কাজল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, সিনিয়র সাংবাদিক এম এম আলাউদ্দিন, শেখ সেলিম, এম মামুন, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মণ্টু, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশ ও চুয়াডাঙ্গা প্রগতি লেখক সঙ্ঘের সভাপতি কাজল মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর নিজস্ব প্রতিবেদক, অফিস স্টাফ, বিভিন্ন উপজেলার ব্যুরো প্রধান ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিনিধিসহ চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ সাংবাদিকরা মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন