আলমডাঙ্গার আনন্দধামে নগদ টাকাসহ ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সুরুত আলী মেম্বারের মেয়ে নাজমা আহমেদ নূপুর। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ডিসেম্বর তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা কেদারনগর বাউল আশ্রমে যান। সেখান থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি ফিরে দেখেন, আলমারির তালা ভাঙা এবং নগদ ৯৫ গাজার ৫০০ টাকা, চার জোড়া স্বর্ণের দুল, এক জোড়া স্বর্ণের বালা, একটি স্বর্ণের চেইন, দুটি রুপার আংটি, চার জোড়া পায়ের নূপুর এবং একটি হাতঘড়িসহ প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিসে সন্দেহভাজন আনন্দধামের মৃত অশ্বিনের ছেলে গোপাল কুমার, তার স্ত্রী রিতা রানী দাস এবং মৃত দিলীপ কুমারের ছেলে রিপনকে ডাকা হয়। সালিসে রিতা রানী দাস নগদ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা লুকিয়ে রাখার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন। জানা যায়, তিনি এই টাকা একই মহল্লার শুভর কাছে গচ্ছিত রেখেছিলেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের অনুপস্থিতিতে রিতা রানী দাস বাড়ির চাবি নিয়ে নকল চাবি তৈরি করে চুরি সংঘটিত করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি সত্য। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি পরিচিত কারো দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। আমরা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনব।’ এদিকে, এ ঘটনায় আজ স্থানীয়ভাবে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন