সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রসহ আট জনকে সাত বছরের কারাদ-

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০৯-২০১৭ ইং
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রসহ আট জনকে সাত বছরের কারাদ-
সমীকরণ ডেস্ক: দুর্নীতি মামলায় নড়াইলের জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও নড়াইল পৌরসভার মেয়র মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাসসহ আটজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আসামিদের এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে যশোরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) সিরাজুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও মেয়র মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ছাড়া অন্য ছয় সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, নড়াইল পৌরসভার সাবেক কমিশনার শরফুল আলম লিটু, মুশফিকুর রহমান, আহম্মদ আলী খান, রফিকুল ইসলাম, তেলায়েত হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সচিব (প্রাক্তন প্রধান সহকারী) মতিয়ার রহমান। পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান, আসামিদের মধ্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন আদালতে হাজির হননি। বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। তিনি আরও জানান, বিচারক প্রত্যেক আসামিকে ফৌজধারি কার্যবিধির ৪০৯/১০৯ ধারায় তিন বছর ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় চার বছর করে সশ্রম কারাদ- দেন। এছাড়া আত্মসাতকৃত এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ-ের আদেশ দেন। আদালত সূত্র জানায়, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে আসামি সোহরাব হোসেন বিশ্বাস নড়াইল পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ওই সময় রূপগঞ্জ পশুহাট ইজারার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এইচএম সোহেল রানা পলাশ নামে এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৬৫ হাজার ৫শ’ ৫৫ টাকায় ওই হাটের ইজারা পান এবং তিনি দরপত্রের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক ড্রাফট (বিডি) হিসেবে ৩৩ হাজার টাকা জমা দেন। পরে তিনি দরপত্র মূল্য দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে ইজারা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। ওই আবেদনে তৎকালীন পৌর কমিশনার জাহাঙ্গীর বিশ্বাসসহ ছয় কমিশনার (কাউন্সিলর) ও ভারপ্রাপ্ত সচিব সুপারিশ করেন এবং মেয়র হিসেবে সোহবার হোসেন তা মঞ্জুর করেন। এরপর ইজারাদাতাকে তার জমাকৃত টাকা ফেরত দেওয়া হয়। একইসঙ্গে নতুন করে ইজারা আহ্বান না করে তারা (মামলার আসামিরা) ওই হাট তিন বছর খাস দেখিয়ে এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা আদায় করে তা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট আট জনকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয় যশোরের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী বিশ্বাস।


কমেন্ট বক্স
notebook

দুর্ঘটনায় নিহত রুয়েট শিক্ষার্থী রাফিদের লাশ চুয়াডাঙ্গায়