রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

বড় ভাইসহ একই পরিবারের ৪ জন আহত : ছোট ভাইকে রেফার্ড

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৯-২০১৭ ইং
বড় ভাইসহ একই পরিবারের ৪ জন আহত : ছোট ভাইকে রেফার্ড
দামুড়হুদার কালিয়াবকরী গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দু’ভাইয়ের সংঘর্ষ নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা ইউনিয়নের কালিয়াবকরী গ্রামের বসতিপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে মারামারিতে বড় ভাই-ছোট ভাইসহ একই পরিবারের ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ওই গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার স্ত্রী আন্তানুর বেগম (৫৫), বড় ছেলে জামাল হোসেন (৪০), ছোট ছেলে শাফেজ উদ্দীন (৩২) ও জামাল হোসেনের স্ত্রী পারুলা খাতুন (৩৩) জখম হয়। এ সময় স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এরমধ্যে শাফেজ উদ্দীনের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। জানা যায়, পরিবারের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করার লক্ষে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিগত ১১ বছর আগে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে ছোট ভাই শাফেজ উদ্দীনকে সৌদীতে পাঠায় বড় ভাই জামাল হোসেন। কথা ছিল বিদেশ থেকে ফিরে এসে অপর একটি জমি বড় ভাইয়ের নামে রেজিস্ট্রি করে দেবে। শাফেজ উদ্দীন বিদেশ থেকে ফিরে তার ভাগের জমি বড় ভাইয়ের নামে রেজিস্ট্রি করে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে দু’ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার পারিবারিক ভাবে আলোচনা সাপেক্ষে বিরোধ মীমাংসার সিদ্ধান্ত ছিল। হঠাৎ গতকাল সন্ধ্যায় জমিজমা নিয়ে কথা উঠলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই শাফেজ তার বড় ভাই জামালকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। এ সময় মা আন্তানুর ও জামালের স্ত্রী পারুলা ঠেকাতে এলে তাদের উপরেও চড়াও হয় শাফেজ। বড় ভাই-ভাবি ও মাকে দা দিয়ে কোপাতে দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শাফেজকে গণধোলাই দিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাফেজকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রেফার্ড করেন এবং অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আবু হাসান মো. ওয়াহেদ রানা সময়ের সমীকরণকে বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারিতে জড়িয়ে একই পরিবারের ৪ জন জখম হয়। এরমধ্যে শাফেজ উদ্দীনের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এ ছাড়া জামাল হোসেন ও পারুলা খাতুনকে সদর হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। তবে আন্তানুর বেগম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।


কমেন্ট বক্স
notebook

দুর্ঘটনায় নিহত রুয়েট শিক্ষার্থী রাফিদের লাশ চুয়াডাঙ্গায়