রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় : জখম স্কুলছাত্র হাসপাতালে ভর্তি : থানায় অভিযোগ দায়ের

  • আপলোড তারিখঃ ০৭-০৯-২০১৭ ইং
জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় : জখম স্কুলছাত্র হাসপাতালে ভর্তি : থানায় অভিযোগ দায়ের
আলমডাঙ্গার হারদীতে চুরির অপবাদে স্কুলছাত্রকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার হারদী থানাপাড়ার তানিম (১৫) নামের এক স্কুল ছাত্রকে সোনার রুলি বালা চুরির অপবাদে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়েছে। এক পাড়ার এক ব্যক্তি তাকে দোষারোপ করে ধরে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে মারধর করে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু নির্যাতনই নই, গতকাল সকালে তার পিতা-মাতার কাছে সাদা স্ট্যাম্পে সই করে নিয়েছে বলেও তাদের অভিযোগ। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার ওই কিশোরের পিতা থানায় অভিযোগ করেছেন। জানা গেছে, আলমডাঙ্গার হারদী থানাপাড়ার হেকমত আলীর ছেলে রসিদুল ঈদের ছুটিতে বাড়ি আসে। গত মঙ্গলবার তার বাড়ি থেকে এক জোড়া রুলি বালা চুরির ঘটনা ঘটে। এ চুরির বিষয়ে সে একই পাড়ার স্বপনের ছেলে দশম শ্রেণীর ছাত্র তানিমকে সন্দেহ করে। তাকে ওইদিন বিকেলে বৈদ্যনাথপুর এলাকার একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্যাতিত স্কুল ছাত্র তানিম জানায়, তাকে জোরপুর্বক চুরির বিষয়টি স্বীকার করানোর জন্য চেষ্টা করে। সে এ চুরির সাথে জড়িত নই বলে জানালেও তকে নানাভাবে হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে কে চুরি করেছে তা জানানোর জন্য তানিম কুমারী এক কবিরাজের বাড়িতে যায়। সেখানে কবিরাজের সাথে কথা বলে বাড়ি থেকে বের হলেও আবারো তাকে ধরে রশিদুলের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ছাদে তুলে চরির স্বীকারেক্তি আদায়ের জন্য মারধর করা হয়। সে চুরির করেনি বলে জানালে তাতে তারা সন্তোষ্ট হতে পারেনি। রাত ২ টার দিকে দি দফায় কলেজের মধ্যে নিয়ে গিয়ে মারপিট করে জোর পূর্বক তার মুখ থেকে চুরির করেছে বলে স্বীকারোক্তি আদায় করে। এ সময় তারা তার কথা মোবাইলে রেকর্ডিং করে। এদিকে রাতে তানিমের পিতা-মাতা সন্তানকে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। পরে জানতে পারে চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে ধরে মধ্যযুগীয় নির্যাতন করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনা জানার পর তার পিতা-মাতা ছেলেকে মুক্ত করানোর জন্য চুরি যাওয়া রুলি বালার মূল্য দেবার কথা বললে রাতে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। নির্যাতিত স্কুলছাত্রের পিতা-মাতার অভিযোগ, রসিদুল লোকজন দিয়ে গতকাল বুধবার সকালে রুলিবালার দাম ৭০ হাজার টাকা মূল্য ধার্য্য করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। পরে ওই স্কুলছাত্রকে হারদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে গতকাল বিকেলে নির্যাতিত স্কুল ছত্রের পিতা স্বপন বাদী হয়ে রসিদুলের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

দুর্ঘটনায় নিহত রুয়েট শিক্ষার্থী রাফিদের লাশ চুয়াডাঙ্গায়