নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার পৃথক চারটি স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। গতকাল রোববার দুপুর ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় নেশা জাতীয় নিষিদ্ধ বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন ও গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান হবির ছেলে লিটন (৫০), একই এলাকার শুকুর আলী মন্ডলের ছেলে মজিবর রহমান (৫৩), মৃত আজগার আলীর ছেলে মহিবুল ইসলাম (৩৫) এবং মৃত মসলেম শেখের ছেলে ফারুক হোসেন (৪৯)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিরীন আক্তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে লিটনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাকে আটক করে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মজিবার রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাকে আটক করে ও বেলা দেড়টার দিকে ফারুক হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাকে আটক করা হয়।
পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে লিটনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, মজিবর রহমানকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ফারুক হোসেনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানা করেন।
এদিকে, গতকাল বেলা একটার দিকে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাদাত হোসেনের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিরীন আক্তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মহিবুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে আটক করেন। পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাদাত হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মহিবুল ইসলামকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করেন। গতকালই তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন