প্রতিবেদক, তিতুদহ:
প্রতি বছরের শীতের এই সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির (পরিযায়ী পাখি) দেখা মিলত চুয়াডাঙ্গার বিল, বাঁওড়, ঘের, পুকুর, দোহাসহ আশেপাশের গাছে। পাখিদের কলরবে মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন হয়ে বিমোহিত হতো দর্শনার্থীসহ এলাকাবাসী। তবে এ বছর চুয়াডাঙ্গার বিল, বাঁওড়, ঘের, পুকুরে অতিথি পাখির দেখা মিলছে না। এতে অখুশি পাখিপ্রেমী দর্শনার্থীসহ এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিবছর চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহ ইউনিয়নের আড়িয়ার বিলে, গড়াইটুপি ইউনিয়নের গহেরপুর পাকশিয়া ও কামরিয়ার বিলে অন্তত ২০ থেকে ২৫ প্রকার অতিথি পাখির দেখা মিলত। এলাকার মানুষ পাখির বিচরণ উপভোগ করত। তবে এ বছর এসব বিলে অতিথি পাখির সন্ধান মিলছে না। দেখা মিলছে বক, মাছরাঙা আর পানকৌড়ি। তবে সেটিও খুবই কম।
এ বিষয়ে আড়িয়া গ্রামের বন্যপ্রাণী ও পাখি সংরক্ষণ দলের সদস্য শাহিন সরকার বলেন, প্রতিবছর এই মৌসুমে আমরা এলাকার প্রতিটি পাখি বিচরণের স্থান তাঁরা পরিদর্শন করেন। এছাড়া অতিথি পাখির একটা পরিমাপ করেন। এবছর এখন পর্যন্ত অতিথি পাখির দেখা মেলেনি। শীতের কারণে এবং আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়াতে এমন হচ্ছে বলে তিনি ধারণা করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, অন্যান্য বার পাখির বিচরণে মুখরিত থাকে সব কয়টি জলাশয় ও গাছ-গাছালি। বিশেষ করে পাতিসরালির (হাঁসপাখি), গাঙচিল, কালিন, ডাহুকের উপস্থিত চোখে পড়ার মতো থাকে। তবে এ বছর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পাখির বিচরণ নেই। অনেকের ধারণা, শীত কমলে কম বেশি দেখা মিলবে এসব অতিথি পাখির।
সমীকরণ প্রতিবেদন