আত্মহত্যা প্ররোচনার দায়ে এনামুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
- আপলোড তারিখঃ
২৬-০৮-২০১৭
ইং
ফলোআপ-
আলমডাঙ্গা ভোগাইল বগাদির গৃহবধূ পলিকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি ময়নাতদন্তে
নিজস্ব প্রতিবেদক: আলমডাঙ্গার ভোগাইল বগাদি গ্রামে গৃহবধূর পলির মরদেহর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাননি চিকিৎসক। তবে, হত্যা প্ররোচনায় দায়ে পলির স্বামী এনামুলের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলির স্বামী পলাতক এনামুল গ্রেফতার হলে এবং আটক ফিরোজা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পলি ঠিক কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা যানা যাবে।
এ মামলার তদন্তকারী অফিসার আলমডাঙ্গা থানার এসআই জিয়াউল হক জানান, আলমডাঙ্গার ভোগাইল বগাদি গ্রামে গৃহবধূর পলির মরদেহর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পায়নি ডাক্তার। তিনি আরো জানান, এনামুলের প্ররোচনায় পলি আত্মহত্যা করেছে এমন তথ্য পুলিশ খুঁজছে। তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না, আসলে এনামুলের প্ররোচনায় আত্মহত্যা করেছে নাকি অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। পলির স্বজনরা বরাবরই যে অভিযোগ করে আসছিল যে পলির স্বামী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা গত বুধবার রাতে পলিকে বাড়ী থেকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতন করে হত্যা করেছে এমন তথ্যের প্রকৃত সত্যতা যেমন পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য,আলমডাঙ্গা ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের ভোগাইল বগাদির দিনমজুর মেছের আলীর সাথে একই ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের পলি খাতুনের বিয়ে হয় আজ থেকে ১১ বছর আগে। বিয়ের দু’বছরের মাথায় তাদের সংসারে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে সন্তান। বেশ ভালোই কাটছিল তাদের সাংসারিক জীবন। স্বামী মেছের আলী প্রতিবেশী এনামুল হকের জমিতে দিনমজুরের কাজ করতো এবং এনামুলের গৃহকর্মীর কাজ করতো পলি। সারাদিন মাঠে থাকায় মেছের আলী তার স্ত্রীর খুব একটা খোঁজখবর রাখতে পারতেন না। এরই একপর্যায়ে এনামুল ও পলির মধ্যে প্রেমজ সম্পর্ক তৈরী হয়। এরপর মেলামেশা, ভালোবাসা। কিন্তু এনামুলের সংসারে স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও এনামুল পলিকে গোপনে বিবাহ করে একই গ্রামের ছামাদের বাড়ীতে রাখে। গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় পলির পিত্রালয় আলমডাঙ্গা ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের মাঠে নামাজে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিকে, পলির ১ম স্বামী মেছের আলীসহ তার পরিবারের লোকজন পলি হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করেছেন।
কমেন্ট বক্স