শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আমি দিতে এসেছি, নিতে আসিনি- দিলীপ কুমার আগরওয়ালা

  • আপলোড তারিখঃ ০৫-০১-২০২৪ ইং
আমি দিতে এসেছি, নিতে আসিনি- দিলীপ কুমার আগরওয়ালা

প্রতিবেদক সমীকরণ:
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেছেন, ‘এলাকার গরীব অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য আমি শীতকালে কম্বল দিতে পারি, বর্ষায় ছাতা দিতে পারি, দুস্থদের খাবার দিতে পারি। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব, আমি করে যাচ্ছি।

কিন্তু এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ধরনের অবদান রাখতে পারি না। এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারি না। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সকল ভাতার সুষ্ঠু বণ্টনে ব্যবস্থা নিতে পারি না। কারণ এসব করতে লাগে ডিও লেটার, হতে হয় জনপ্রতিনিধি। তাই তো আমি সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গাবাসীর ভাগ্যের পরিবর্তন করার লক্ষ্যে মহান জাতীয় সংসদে যেতে চাই। স্মার্ট ও স্বনির্ভর চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা গড়ার জন্য এমপি হতে চাই।’

``

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে স্মরণকালের সব রেকর্ড ভেঙে বিশাল নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে মানবিক এই জননেতা চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গায় বেশ সাড়া ফেলেছেন। দিলীপ কুমারের ঈগল প্রতীক এখন এই আসনটির ভোটারদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সাধারণ ভোটারদের মতে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ঈগল প্রতীক নিয়ে আলোচনাও ততই বাড়ছে। প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে দিলীপ কুমারের কর্মী-সমর্থকেরা নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করে চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে একত্রিত হয়ে। স্মরণকালের সবথেকে বড় এই জনসভা যেন রূপ নেয় এক বিশাল জনসমুন্দ্রে। যার জন্য চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়াম নতুন এক ইতিহাসের সাক্ষী হলো এই জনসভার মধ্যদিয়ে।

ওই জনসভা উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ দলে দলে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হতে শুরু করে। চুয়াডাঙ্গা শহরের ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ড এলাকা, বড় বাজার, শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, একাডেমি মোড়, রেল বাজার, সাতগাড়ি, করিমন স্ট্যান্ড, জাফরপুর ও স্টেশন এলাকায় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এসব এলাকাসহ সমাবেশস্থল। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গা পান্না সিনেমা হল তথা কলেজ রোড থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়ে স্টেডিয়াম মাঠে পৌঁছানোর সময় থেকেই কলেজ রোড পুরো ব্লক হয়ে যায় মানুষের পদচারণায়। সন্ধ্যার আগে জনসভা শেষ হলেও প্রায় রাত আটটা পর্যন্ত শহীদ আবুল কাশেম সড়ক ও কলেজ রোডে যানজটের সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি সামলাতে বেশ পেতে হয় জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগসহ প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তাদের।

``

এছাড়া এপিবিএন, বিজিবিও শহরজুড়ে দেয় বিশেষ টহল। ঈগল প্রতীকের নেতা-কর্মীদের হাতে দেখা যায় ঈগল মার্কার পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন। আর ঈগল ঈগল ঈগল স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চুয়াডাঙ্গা শহরসহ আশপাশের এলাকা। বিকেলের আগেই চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এরপরও বিভিন্ন এলাকা থেকে সেখানে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের সমর্থকরা আসতে থাকলে মাঠ ছাপিয়ে জনসমাগম রাস্তা ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সমাবেশে অন্তত অর্ধলক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
সমাবেশে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘যদি আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে আপনাদের পাশে থেকে সবসময় এই এলাকার উন্নয়ন করে যাব। যারা আমার ঈগল পাখি মার্কার জন্য ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে কাজ করছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা ভয় পাবেন না, ঈগল পাখির জোয়ারে সকল অন্যায় ভেসে যাওয়ার সময় এসেছে। সৃষ্টিকর্তা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই। আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এই অবহেলিত চুয়াডাঙ্গাবাসীর জন্য আমি কাজ করতে চাই। কথা দিলাম, আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য, মাদক বাণিজ্যসহ সকল অপকর্ম আপনাদের সাথে নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে নিরসন করব, ইনশাআল্লাহ।’

জনসভায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালা নির্বাচনী এলাকার ব্যাপক উন্নয়নের অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, জনগণকে আমি দিতে এসেছি, নিতে আসিনি। তিনি রাস্তাঘাট তৈরি, মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওয়াদা করেন। এসময় হাজার হাজার জনতা তুমুল করতালি দিয়ে ঈগল প্রতীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

``

আবেগঘন বক্তব্যে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘আমি আপনাদেরই সন্তান। কারো ভাই, কারো বন্ধু, কারো দাদা। আমার জন্ম চুয়াডাঙ্গাতে। এখানেই আমার নাড়ি পোতা আছে। এই শহরের ওলি-গলি আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে। চুয়াডাঙ্গার মাটিতে আমি বড় হয়েছি। এই মাটির কাছে আমি চির ঋণী। সেই ছোটবেলা থেকে এ মাটির ঋণ পরিশোধ করার তীব্র আকাক্সক্ষা কাজ করছে আমার ভেতর। আপনারা জানেন, আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আমি হয়ত অল্প কিছু মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি। কিন্তু সামগ্রিক চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গার উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারছি না। আমি হাসপাতালে ১০টি হুইল চেয়ার দিতে পারি। ২-৩টি ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স দিতে পারি। কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা, চিকিৎসার পরিবেশ ভালো করার ক্ষমতা ব্যক্তিগতভাবে আমার নেই। আমি স্কুল-কলেজে বই দিতে পারি, ক্রীড়া সামগ্রী দিতে পারি। কিন্তু শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখতে পারি না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না।’

একটা সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। সে সময় ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে ঈগল পাখি মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। কথা দিলাম, স্কুল-কলেজে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষককে এক টাকাও দিতে হবে না। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে চুয়াডাঙ্গায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করব। ইচ্ছা আছে ৫০০ শয্যার একটি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন করার। আজ আপনাদের এই জনসমুদ্র দেখে খুশিতে আমার চোখে পানি চলে এসেছে। আপনাদের প্রতি আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ হয়ে রইলাম।’ বলতে বলতে ঝরঝরিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি।

এরপর কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা উল্লেখ করে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গার সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসার শিক্ষক ও ওলামায়ে কেরামগণ, আপনারা সমাজের দর্পণ। আপনাদের আমি মন থেকে পছন্দ করি, আপনারা এই সমাজকে আলোর পথ দেখান। সমাজকে আলোকিত করেন। আপনারা আমার হৃদয়ের মনিকোঠায় আছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলাতে কখনো কোনো ওয়াজ মাহফিল হলে আমার দিক থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা সবসময় থাকবে। এবং আমাকে দাওয়াত দিলে আমি সেই মাহফিলে উপস্থিত থেকে সাধুবাদ জানাবো। আপনারা জানেন, মসজিদ-মাদ্রাসায় আমি সবসময় সাধ্যমতো সহযোগিতা করে আসছি। আমি আপনাদের ইজ্জত করি, সম্মান করি। আমি আপনাদের কাছে দোয়া প্রার্থী। আমি দিলীপ, আপনাদের সন্তান। আমি দিলীপ, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক ছিলেন। আমিও একজন অসাম্প্রদায়িক মানুষ। আমি অনুদান দেয়ার ক্ষেত্রে মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা বিবেচনা করি না। আমার প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রেও হিন্দু-মুসলিম বিবেচনা করি না। আমার কাছে কেউ সাহায্যের জন্য হাত পাতলে আমি জিজ্ঞেস করি না, আপনি হিন্দু না মুসলিম। আজ একটা গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিচ্ছে। অপপ্রচার চালাচ্ছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালি জাতি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়ার পরেও পাকিস্তানী শাসকরা ক্ষমতায় বসতে দেয়নি। ওই পাকিস্তানি শাসকদের উত্তরসুরী বাংলাদেশের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা রাজাকার-আল-বদর ও ধর্মীয় লেবাসধারীরা এই নির্বাচনে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে যাচ্ছে। অসংখ্য মামলার আসামি ও সন্ত্রাসী, আজ ধর্মীয় লেবাস পরে আমার বিরুদ্ধে ধর্মীয় উস্কানি দিচ্ছে। অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অপপ্রচারের জবাব আপনারা দিবেন। আজ তারা আমাকে ধর্মের দোহাই দিয়ে মসজিদে-মাদ্রাসায় উস্কানি দিচ্ছে। আমি তো কখনো জাত পাত দেখিনি। হিন্দু মুসলিম ব্যবধান করিনি। আমার কাছে যারাই এসেছে, আমি তো তাদের মানুষ হিসেবেই দেখেছি। তবে আজ কেন এই বিভাজন করছে? ভোটের জন্য। শুধু ভোটের জন্যই কি এসব ধর্মীয় উস্কানী? ৭ তারিখে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা বুঝিয়ে দিবেন, এই নির্বাচনে ধর্মীয় অপপ্রচারের কোনো স্থান নেই। আপনারা বুঝিয়ে দিবেন `দিলীপ আপনাদের সন্তান`।’

``

দিলীপ কুমার আগরওয়ালা আরও বলেন, ‘এই চুয়াডাঙ্গার মাটির গন্ধ আমাকে প্রশান্তি দেয়। তাই এ মাটির ঋণ পরিশোধের জন্য আমি একবার সুযোগ চাই। মাত্র একবার আপনারা আমাকে সুযোগ দিন। কথা দিলাম, পাল্টে দেব এই জনপদের চিত্র। সৃষ্টিকর্তা আমাকে অনেক অর্থ সম্পদ দিয়েছেন। আমি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জনগণের ভালোবাসা নিতে এসেছি। আপনাদের সেবক হয়ে সেবা করতে এসেছি। আপনারা আমাকে ভালোবেসে ৭ জানুয়ারি ঈগল মার্কায় ভোট দিয়ে জয়ী করে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন। আমি আপনাদের সেবক হয়ে থাকতে চাই।’

বিশাল এই জনসভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়মী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফির সঞ্চালনায় ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টাইগারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেখ সামসুল আবেদীন খোকন, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আব্দুল মালেক, আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাসান কাদির গনু, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমেদ বাবলু।

এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান জিল্লু, খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আফরোজা পারভীন, চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার ঈগল প্রতীকে ভোট চেয়ে খুব জোরালো বক্তব্য দেন।
জনসভার শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পদ্মবিলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের বিশ্বাস। সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন আসাবুল হক। এছাড়া অনুষ্ঠানের শুরুতেই দিলীপ কুমার আগওয়ালাকে নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন শেখ রুহুল আমিন।

``

এসময় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড এবং চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সব ওয়ার্ডের স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ জনসভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন। এসময় আলমডাঙ্গা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালমুন আহমেদ ডন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজান নিতুসহ আলমডাঙ্গা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

জীবননগর সীমান্তে ৫৮ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিরাপ ও কীটনাশক জব্দ