রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গার মাখালডাঙ্গা-দীননাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি পদে নিয়োগ নিয়ে :উত্তেজনা : দোকান ভাংচুর : থানায় অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ২৪-০৮-২০১৭ ইং
চুয়াডাঙ্গার মাখালডাঙ্গা-দীননাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি পদে নিয়োগ নিয়ে :উত্তেজনা : দোকান ভাংচুর : থানায় অভিযোগ
আফজালুল হক: চুয়াডাঙ্গার মাখালডাঙ্গা-দীননাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরি পদে নিয়োগ নিয়ে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় ম্যনেজিং কমিটির এক সদস্যের দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। গতকাল রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন জমির উদ্দীন। এসময় সাংবাদিকদের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার চেষ্টাও করেন তিনি। বিদ্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়ের ৪টি পদে সরকার থেকে নিয়োগ আসে। যা ৩টি সহকারি শিক্ষক ও একটি বিজ্ঞান শাখার এমএলএসএস পদে। বিজ্ঞান শাখার এমএলএসএস পদটি এখনো বাস্তবায়ন হয় নাই। সেই সময় এমএলএসএস পদে চুয়াডাঙ্গার মাখালডাঙ্গা গ্রামের ভগেরপাড়ার মৃত কলম আলী বিশ্বাসের ছেলে মাসুদ নিয়োগ পান। তবে এই পদটি সরকার এখনও বাস্তবায়িত করেনি। এদিকে, গত ৮ জুলাই সরকারিভাবে স্কুলের দপ্তরি কাম প্রহরি পদে খালি থাকাই নিয়োগ প্রকাশ করা হয়। এতে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি দরখাস্ত দেন মাসুদ।  তিনি উল্লেখ করেন, আমি যে পদে আছি তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। সেহেতু দপ্তরি কাম প্রহরি পদে আমাকে নিয়োগ দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হল। এদিকে মাসুদ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির মৌখিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকায় সে নিজ ইচ্ছায় হাজিরা খাতায় ১ দিনে পূর্বের ৬ মাসের উপস্থিতি সাক্ষর করে স্কুলের সভাপতি ও হেডস্যারকে না জানিয়ে। তবে মৌখিক নিয়োগে হাজিরা খাতাই সাক্ষরের কোন বৈধতা নাই তার। কেবল মাত্র বেতনভুক্ত কর্মচারি ছাড়া। এদিকে, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জমির মিয়ার ছোট ভাই হালিম দপ্তরি কাম প্রহরি পদে নিয়োগের আবেদন করেন। ভাইয়ের চাকরি যেন হয়, এই জন্য কৌশলে মাসুদের হাজিরা খাতার সাক্ষর লাল কালি দিয়ে কেটে দেয় কমিটির সারজেল আলী ও জমির আলী। পরে স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বিষয়টি জানতে পেরে গতকাল এই বিষয়ে মিটিং করেন। এতে দুই পক্ষ নিজেদের ভুলের ক্ষমা চাই। মিটিং শেষে মাসুদ রাগান্নিত হয়ে জমির আলীর দোকানের টিন ভেঙে দেয়। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাসুদ মিটিং শেষে জমিরের দোকানের সামনের কিছু অংশ ভাংচুর করে চলে যায়। কিছুক্ষন পরে জমির আলী নিজেই দোকানের সাটার খুলে দোকানের ভিতরের ভাংচুর করে মাসুদের ফাসানোর জন্য। পরে দোকানের একটি সাটার খুলে চলে যায়। এ বিষয়ে স্কুলের সভাপতি হাজি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ও প্রধান শিক্ষক শাবত আলী বলেন, দোকান ভাংচুরের সাথে স্কুলের কোন সম্পৃক্ততা নাই। নিজেদের ভিতরে কোন শত্রুতার জেরে এমনটি হতে পারে। তবে মাসুদের ব্যাপারে তিনি বলেন, মাসুদ যেহেতু মৌখিকভাবে নিয়োগ থাকায় তার হাজিরা খাতায় সাক্ষর করাটা অন্যায় এবং ম্যানেজিং কমিটির দুই সদস্য এই সাক্ষর কাটারও কোন এখতেয়ার নাই। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জমির আলী বলেন, স্কুলের সাথে দোকান ভাংচুরের কোন সম্পর্ক নাই। আমার দোকান ভাংচুরসহ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায় এলাকার কলমের ছেলে মিলন ও মৃত কলম আলী বিশ্বাসের ছেলে মাসুদ। এ বিষয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ করেন জমির আলী।


কমেন্ট বক্স
notebook

জীবননগরের কৃতি সন্তান এসআই আশরাফুল আলম পেলেন পিপিএম পদক