ঝিনাইদহে বিএনপির গণসমাবেশে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু চৌধুরী
- আপলোড তারিখঃ
২০-০৫-২০২৩
ইং
ঝিনাইদহ অফিস:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এই সরকার ফ্যাসিস্ট, দখলবাজ ও অনির্বাচিত সরকার। এই সরকার অবৈধ ও ভোট চোর। তারা আবারও ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসার চক্রান্ত করছে।’ উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অবমাননা, গায়েবি মামলায় নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ভয়াবহ লোডশেডিংসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল শনিবার ঝিনাইদহ শহরের উজির আলী স্কুলমাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, আগামী নির্বাচন বিশ^নেতারা ও দেশের মানুষ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। খুব সাবধান হয়ে যান। জনগণের কাছে মাফ চেয়ে নেন, তা না হলে পালানোর পথ পাবেন না। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আবোল-তাবোল বকছেন। শুধু তাই নয়, র্যাব, পুলিশ ও সরকারের যত বাহিনী আছে তারাও নিজেরা বাঁচার জন্য শেখ হাসিনাকেই আবার ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করছে। এসব করে লাভ হবে না। যতই গণগ্রেপ্তার ও নির্যাতন করবেন, ততই বিএনপির সমাবেশগুলো সফল হবে। মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে রাস্তায় নেমে আসবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আপনাদের গতিবিধি মনিটরিং করা হচ্ছে। আপনারা কে কী করছেন, তার হিসাব নেওয়া হবে। তাই আপনারা গণতন্ত্রের স্বাধীনতার পক্ষে আসুন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে আসুন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে আসুন। যদি না আসেন, তবে রাজপথেই ফয়সালা হবে।’
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, অ্যাড. আসাদুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সাবেক এমপি শহিদুজ্জামান বেল্টু, আব্দুল ওহাব, মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, সুপ্রিম কোর্ট বার আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, আক্তাররুজ্জামান, মুন্সি কামাল আজাদ পাননু, আব্দুল মজিদ বিশ^াস, আলমগীর হোসেন আলম, সাজেদুর রহমান পাপপু প্রমুখ।
বিএনপির জানায়, সমাবেশের আগের রাতে বিএনপি নেত-কর্মীদের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয় ১৭ জন নেতা-কর্মীকে। তারপরও সমাবেশস্থল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
কমেন্ট বক্স