মহেশপুর শ্যামকুড় সীমান্তে চোরাচালানীদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি অতিষ্ঠ এলাকাবাসী : প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
- আপলোড তারিখঃ
২০-০৭-২০১৭
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় সীমান্তে মাদক, চোরাচালান ও ভারতীয় তার কাটা কেটে রাতের আধারে গরু পাচারকারী সদস্যদের অত্যাচারে সাধারন মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। শ্যামকুড় গ্রামটি সীমান্ত কোল ঘেষা হওয়ায় এলাকার চিহ্নিত বেশ কয়েক জন মাদক, চোরাচালান ও গরু পাচারকারী সদস্যরা বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের চোখে ধুলা দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রতিনিয়ত এ ধরণের কাজ করে চলেছে। তাদের এই অবৈধ ব্যবসার ফলে গোটা সীমান্ত এলাকা জুড়ে সাধারন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জানা গেছে, এই অবৈধ চোরাচালান ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন শ্যামকুড় গ্রামের মৃত ইদ্রিস মন্ডলের ছেলে জহুরুল ইসলাম (জরু), বিষের ছেলে আযাদ, দিনু মন্ডলের ছেলে রাসেল, ফকির চাঁদের ছেলে জাহা বক্স এবং শ্যামকুড় নয়া পাড়া গ্রামের দেলোয়ারের ছেলে আব্দুল্লাহসহ বেশ কয়েক জন মিলে রাতের আধারে ভারতীয় সীমান্তের তার কাটা কেটে গরু পাচারসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য নিয়ে ঝিনাইদহসহ বেশ কয়েকটি জেলায় সরবরাহ করে থাকে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপরে উল্লেখিদের মধ্যে জহুরুল, আযাদ ও আব্দুল্লাহ রোজার কিছু দিন আগে গরু পারাপার করার সময় বিজিবির হাতে আটক হলে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। মাস খানেক জেল খাটার পর আবারও ভারতীয় তার কাটা কেটে গরু পারাপার শুরু করেছে। তাদের কারনে আজ গোটা সীমান্ত এলাকা জুড়ে ভয়ে ভয়ে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষেরা। এলাকাবাসী আরও জানায়, বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকা জুড়ে মাদক ও চোরাচালান কারীদের ধরার জন্য যে মিশনে নেমেছে তাতে সকলে তাদেরকে সাধু বাদ জানিয়েছে। কিন্তু চোরাচালানীদের ধরার নামে কিছু বিজিবি সদস্য প্রকৃত আসামীদের না ধরে নিরিহ ব্যক্তিদের ধরে হয়রানি করছে। তা ছাড়া পুর্বে যে সমস্থ গরু ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে তাদেরকেও ধরে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মামলা দিয়ে চালান দেওয়া হচ্ছে। সে কারনে গোটা এলাকায় এখন পুরুষ শুন্য হওয়ার অবস্থায় পরিনত হয়েছে। তাই এলাকাবাসীসহ সুশিল সমাজের সকলের দাবি যে সমস্থ ব্যাক্তি মাদক, চোরাচালান ও গরু পাচার করছে তাদেরকে চিহ্নিত করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির জন্য উদ্ধতর্ন কর্মকর্তার আশুহস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
কমেন্ট বক্স