প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, বধ্যভূমি পাক-সেনাদের নির্যাতনের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাকিস্তানি বাহিনী লাল ব্রিজের পাশে ক্যাম্প করে ট্রেন থেকে লোক নামিয়ে তাদেরকে হত্যা করেছে, মা-বোনদের ধরে এনে নির্যাতন করে হত্যা করে এখানে পুতে রাখত। আমরা যখন বধ্যভূমি নির্মাণ করি, তখন এখানে অসংখ্যা মাথার খুলি, হাতের, পায়ের হাড়, মেয়েদের মাথার চুল, চুড়ি, শাড়ী পাওয়া গেছে। নতুন প্রজন্মকে পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার সম্পর্কে জানাতে হবে। সে কারণে আমাদের এই প্রয়াস। এখানে একটি পার্ক নির্মাণ করছি। মায়েরা তাদের সন্তানদের এখানে বেড়াতে নিয়ে আসলে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবে। মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর উদ্যাপন করেছি, এখনও যে সমস্ত মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে আছেন, তাদেরকে স্কুলে নিয়ে যাবেন। তাদের কাছ থেকে ৭১-এর যুদ্ধের প্রকৃত ঘটনা শুনতে পারবেন। আর কয়েক বছর পর হয়ত স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে। কারণ সকলের বয়স হয়েছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো সহযোদ্ধার মৃত্যুর খবর আসে। আপনারা অন্তত তাদের সম্মান করবেন। দেশের উন্নয়ন বলেন আর যাই বলেন সবই মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত। বঙ্গবন্ধু নেই, কিন্তু তার সহকর্মী মুক্তিযোদ্ধারা এখনও জীবিত আছেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পিপি অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী খালেদুর রহমান অরুণ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার সালমুন আহমেদ ডন ও কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আরশাফুল ইসলাম।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলীর মাস্টারের উপস্থাপনায় বক্তব্য উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান পিণ্টু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ পিণ্টু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, যুবলীগ নেতা শাহীন, ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হাসান তমাল, হাসান, টিটন, সজীব প্রমুখ।
সমীকরণ প্রতিবেদন