নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে লাঞ্ছিতের শিকার হয়েছেন শামীম রেজা নামের এক সাংবাদিক। গতকাল রোববার বেলা একটার দিকে কৃষি কর্মকর্তার রুমে এই ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি মো. শামীম রেজা সংবাদ সংগ্রহের জন্য গতকাল রোববার দুপুর একটার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের কাছে যান। এসময় শামীম রেজা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা ফলোআপের পেঁয়াজের বীজ কতজন কৃষককে দেয়া হয়েছে তা জানতে চান। এ তথ্য জানতে চাওয়ার কারণে দামড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাংবাদিক শামীমের ওপর চড়াও হন এবং তার রুমের দরজা বন্ধ করে সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে উপজেলা কৃষি অফিসের আরও দুই কর্মচারীকে ডেকে লাঠি দিয়ে তার ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এ অবস্থায় সাংবাদিক শামীম দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে তৎক্ষণাৎ তার কাছ থেকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার মো. সাজেদুর রহমান তাৎক্ষণিক দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ফোন দিলে সাংবাদিক মো. শামীমকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে দৈনিক সকালের সময়ের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মো. শামীম বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যার জিডি নম্বর ১৩৯৩।
এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. সানজিদা বেগম বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবশ্যই আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবো এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেভাবে পদক্ষেপ নিতে বলেন আমি সেভাবেই পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি এখনো জানি না। তবে আমি এখনই জানার চেষ্টা করছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা যদি অন্যায়ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন, অবশ্যই আমি চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
সমীকরণ প্রতিবেদন