মাসুদ ও জহুরুলদের কারণে এখন ‘বিচার’ বেচাকেনা হয়
- আপলোড তারিখঃ
২২-০৩-২০২১
ইং
চুয়াডাঙ্গায় জেলা আইনজীবী সমিতির মানবন্ধনে অ্যাড. আলমগীর হোসেন
ভারপ্রাপ্ত জেলা জজসহ দুই কর্মচারীকে আন্তঃজেলা প্রত্যাহারের জোর দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আইনজীবীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতি। গতকাল রোববার সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আলমগীর হোসেন বলেন, আমাদের আদালত ছেড়ে মাঠে আসার কথা নয়। কিন্তু আজ আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। আমরা প্রতিবাদ করার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে। আমরা দুর্নীতিগ্রস্থ ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহা. বজলুর রহমান ও দুর্নীতিগ্রস্থ অফিস স্টাফ মাসুদুজ্জামান মাসুদ ও জহুরুল ইসলামের মুখ চুয়াডাঙ্গার মাটিতে দেখতে চাইনা। আমরা তাদের প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি। নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিচার প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাত করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন আদালতের নাজির মাসুদুজ্জামান ও বেঞ্চ সহকারী জহুরুল। তাদের মতো স্টাফদের কারণে এখন গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে ‘বিচার’ বেচাকেনা হয়। কর্মচারীরা ‘বিচার বিভাগ’-এর বিভিন্ন বিষয়ে কলকাঠি নাড়ায়। সেই দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মচরারীরা আমাদের আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবীদের উপর লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। যেটা আসলে নিন্দনীয়।
এ সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আলমগীর হোসেন বিক্ষোভসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা অচলের কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে এই হামলার সুষ্ঠু বিচার ও ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বজলুর রহমান ও দুর্নীতিগ্রস্থ অফিস স্টাফ মাসুদুজ্জামান এবং জহুরুল ইসলামকে আন্ত:জেলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. তালিম হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী সেলিম উদ্দীন খান, মহ. শামসুজ্জোহা, মসলেম উদ্দীন, আ.স.ম আব্দুর রউফ, রাফিউর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ চুয়াডাঙ্গা আদালতে আইনজীবী ও জজশীপ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিনই জরুরি সভার ডাক দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন আইনজীবীরা।
কমেন্ট বক্স