চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের হাতাহাতি!
- আপলোড তারিখঃ
১৯-০৩-২০২১
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবিকা সাগরিকা (২৮) ও স্বেচ্ছাসেবক রুবেলের স্ত্রী ঝর্ণার (২৩) মধ্যে হাতা-হাতির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ড ও মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডের করিডোরে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত রোগীর স্বজনেরা তাঁদেরকে শান্ত করে।
এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবিকা সাগরিকা বলেন, ‘আমি মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ডিউটি করছিলাম। একটা কাজে মহিলা সার্জারি ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে যাচ্ছিলাম। এসময় রুবেলের স্ত্রী ঝর্ণা আমার সামনে চলে এসে আমাকে ওর স্বামী রুবেলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আছে, এ ধরণের আজে-বাজে কথা বলতে থাকে। আমি আজে-বাজে কথা বলতে নিষেধ করলে ঝর্ণা আমাকে চর-থাপ্পড় মারতে শুরু করলে আমি পড়ে যায়। এসময় ভর্তি রোগীদের স্বজনেরা আমাকে থামায়। রুবেলকে আমি নিজের ছোট ভাইয়ের মতো দেখি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদর হাসপাতালের একজন স্বেচ্ছাসেবক বলেন, হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবিকা সাগরিকার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক রুবেলের একটি অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, এই অভিযোগ নিয়ে রুবেলের স্ত্রী ঝর্ণা হাসপাতালে এসে সাগরিকাকে গালিগালাজ করে। গালিগালাজের একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটান ঘটে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনেরা হাতাহাতি থামিয়ে দিলে, সাগরিকা ও ঝর্ণা দুজনেই হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সাজিদ হাসান বলেন, হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবিকা সাগরিকার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক রুবেলের স্ত্রী ঝর্ণার মধ্যে হাসপাতালের মধ্যে একটি হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক রুবেলসহ অভিযুক্ত দুজনকে শনিবার হাসপাতালে ডাকা হয়েছে। সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে, এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে ঝর্ণার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কমেন্ট বক্স