মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

প্রথম দিনে ৭০ জনের বাছাই সম্পন্ন

  • আপলোড তারিখঃ ৩১-০১-২০২১ ইং
প্রথম দিনে ৭০ জনের বাছাই সম্পন্ন
আলমডাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলা পরিষদের হলরুমে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলে। প্রথম দিনে ১৩৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ৭০ জনের সাক্ষ্য, তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের যাচাই-বাছাই আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে। যাচাই-বাছাই কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা কমান্ডার জামুকার প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান ও সদস্যসচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিটন আলী। এছাড়াও এমপির প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ নুর মোহাম্মদ জকু, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা খোসদেল আলী, সমাজসেবা অফিসার আফাজ উদ্দিন সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান জোয়ার্দ্দার সুলতান, বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান লাল্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনদ্দিন আহম্মদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মণ্টু ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম আজম। এদিকে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বীকৃত বিভিন্ন প্রমাণপত্রে নাম থাকার পরও অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম যাচাই-বাছাইয়ের তালিকায় রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। অনেকে বলেছেন, নতুন যাচাই-বাছাইয়ে তিনজন সহযোদ্ধাকে হাজির করতে বলা হয়েছে। সেটি খুবই কঠিন কাজ। ইতোমধ্যে অধিকাংশ সহযোদ্ধা মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া জীবিতরা বয়সের ভারে ন্যুব্জ। অনেকে রোগ-শোকে স্মৃতিশক্তি হারিয়েছেন। আবার অনেকে দূর-দূরান্তে বসবাস করেন। আবার অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে বলেন, আগের তিনটি যাচাই-বাছাইয়ে সহযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ২০১৭ সালে ৭ সদস্যের কমিটি সর্বশেষ যাচাই-বাছাইয়ে তাঁরা উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। আবার যাচাই-বাছাই কেন? আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন আলী জানিয়েছেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন-২০০২-এর ধারা ৭ (ঝ) ব্যত্যয় ঘটিয়ে জামুকার সুপারিশবিহীন শুধু বেসামরিক গেজেট নিয়মিতকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তা বা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত ৩৩ ধরনের প্রমাণকে অন্তর্ভুক্ত থাকলে, তিনি যাচাই-বাছাইরে আওতাবর্হিভূত থাকবেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

১২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ