মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মোমবাতি প্রজ্জলন করে সাংস্কৃতিক কর্মীদের নীরব প্রতিবাদ

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০১-২০২১ ইং
মোমবাতি প্রজ্জলন করে সাংস্কৃতিক কর্মীদের নীরব প্রতিবাদ
চুয়াডাঙ্গায় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর বিদ্যুত লাইন বন্ধ করলেন জেলা কালচারাল অফিসার নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরের সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দেওয়ার পর রাতেই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আবার পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এমন ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনের অবস্থিত অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠন, সংলাপ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ও আবৃত্তি পরিষদের বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় এই লাইন বন্ধ করার কারণে মোমবাতি হাতে নীরব প্রতিবাদ জানান সাংস্কৃতিক কর্মীরা। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের নজরে বিষয়টি আসলে তিনি দ্রুত পুনরায় লাইনের সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেন। রাতেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয়েছে। সংলাপ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সভাপতি নজির আহমেদ বলেন, ‘সন্ধ্যায় জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের নির্দেশে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। আমরা নীরবে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানানোর পর তিনি তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিয়ে পুনরায় লাইন সংযুক্ত করেছেন। তবে জেলা কালচারাল অফিসারের এ ধরনের আচরণ মোটেই কাম্য নয়।’ তিনি আরও জানান, ‘বেশ কয়েকদিন আগে হঠাৎ করেই আমাদের এই ঘরগুলোর ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই বিদ্যুত বিল বাবদ ৩ শ টাকা করে দিতাম। ভাড়া ৫ শ টাকা করার কথা শুনে আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, আমরা সাংস্কৃতিক কর্মীদের রাখার দায়িত্ব শিল্পকলা একাডেমির। আমরা ভাড়া দিতে পারব না। তবে বিদ্যুত বিল দেব। তিনি আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা কালচারাল অফিসার মান্যই করেননি।’ বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সদস্যসচিব শাহীন উল কাদির জানান, ‘জেলা কালচারাল অফিসার বিভিন্ন সময় সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে বিরুপ আচরণ করছেন। বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলো নিভানোর চেষ্টা করেছে। আমরা জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের অব্যহতি চাই।’ এদিকে, জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমান ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভাড়া ৩ শ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ শ টাকা করা হয়েছিল। বিদ্যুত তারা ফ্রি ব্যবহার করত। বিদ্যুতের নিজস্ব প্রি-পেইড মিটার নেওয়ার জন্য তাঁদেরকে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল প্রায় ১৫ দিন আগে। কিন্তু তাঁরা কোনো আবেদন করেননি। তবে তাঁরা ৩ শ টাকা করে ভাড়া দিয়েছেন। তাঁদের ভাড়ার বিষয়ে একটি আবেদন আছে। সেটি কমিটি বিবেচনা করবে। আর বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার নেওয়ার আবেদন না করায় সতর্কতামূলক তাঁদের লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে পুনরায় লাইনটি সংযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘এমন একটি কথা আমি শোনার পর পরই বিদ্যুত সংযোগটি দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।’


কমেন্ট বক্স
notebook

১২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ