মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ইভিএমে কোনোপ্রকার ভোট কারচুপি করার সুযোগ নেই

  • আপলোড তারিখঃ ২৪-১২-২০২০ ইং
ইভিএমে কোনোপ্রকার ভোট কারচুপি করার সুযোগ নেই
চুয়াডাঙ্গা পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা তারেক আহমেমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এর আগেও চুয়াডাঙ্গায় কয়েকটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এবারের নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, সেটা আমি আশ্বস্ত করছি। নির্বাচনে কোনো বিষয়ে কারো যদি কোনো প্রকার অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটা সংশ্লিষ্ট স্থানে জমা দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই। তবে জিতের মতো হারকেও মেনে নিতে হবে। আমরা আসলে হারকে মেনে নিতে পারি না। তবে জয়-পরাজয় উভয়কেই মেনে নেওয়ার মতো মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। জয়ের পরেও সহনশীল হতে হবে। আমাদের আচরণ-আচারণও উন্নত হতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ইভিএম মেশিন ম্যানুয়ালের থেকে অনেক ভালো। স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নির্বাচনের পাঁচ মিনিটের মধ্যে সুন্দর করে রেজাল্ট পাওয়া যাবে। কোনোভাবেই কারচুপি করার কোনো সুযোগ নেই। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার, আপনাদের জন্য আশির্বাদস্বরুপ। সবাই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে, ইভিএমে ভোট দেওয়াও খুব সহজ। ইভিএমে কোনোপ্রকার ভোট কারচুপি করার কোনো সুযোগ নেই। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি পরিষ্কার স্পষ্টভাবে আপনাদের কাছে দেওয়া আছে। সেটি মেনেই আপনাদের চলতে হবে। আপনারা সেটি মানলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভালো থাকবে। না মানলে আবার আইনও আছে। তখন সেটি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চাই নির্বাচন একশ শতাংশ স্বচ্ছ এবং ভালো করার জন্য। যেকোনো বিষয়ে আমাকে জানাবেন। আমি সব কল রিসিভ করি। ভোট কেন্দ্রে আসবেন ও ভোট দিবেন। তবে ভোট দেওয়ার পর হাতে কালি থাকা কেউ সেন্টারে থাকবেন না। ভোট দেওয়া শেষ হলে বাসায় চলে যেতে হবে। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার নির্বাচন যেন মডেল নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত হয়, সেজন্য আমাদের সকলের কাজ করতে হবে।’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ইভিএমের নির্বাচন একশ শতাংশ স্বচ্ছ। এই নির্বাচনে কোনোভাবেই কোনো প্রকার কারচুপি করার সুযোগ নেই। ভোট শুরু হওয়ার দশ থেকে পনের মিনিট পূর্বে ইভিএমে মেশিনটি খুলবে। এর আগে, কোনোভাবেই এটি খোলা সম্ভব না। খোলার পর এটিতে পোলিং ভোট শূন্য দেখাবে। বাইরে একটি মনিটর দেওয়া হবে। যতজন ভোট দিবেন, ততটি ভোট পোল দেখাবে। সুতরাং, কোনোভাবেই কারচুপি করা যাবে না। প্রত্যেক ভোটার নিজের নিজের ভোট দিতে পারবেন। একজনের ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না। একজন একবারই ভোট দিতে পারবেন। এই মেশিনটি কেউ যদি ছিনতাই করে, বা কেন্দ্র দখল করে নিয়ে যায়, তাতেও কোনো লাভ নেই। বাড়ি নিয়ে যাবে, ভেঙ্গে ফেলবে, তাতেও কোনো লাভ হবে না। তবে, তাতে জেল জরিমানা হতে পারে। তাই, ভোট কেন্দ্র দখল করে লাভের পরিবর্তে হবে লোকসান। সম্পূর্ণ একশ শতাংশ স্বচ্ছ অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে সহকারী রির্টানিং অফিসার কামরুল হাসানের উপস্থাপনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন, মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গির আলম মালিক খোকন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী তুষার ইমরান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুল হক মালিক মজু, মুনিবুল হাসান, তানভীর আহমেদ মাসরিকী, কাউন্সিলরদের মধ্যে মাফিজুর রহমান মাফি, কামরুজ্জামান চাঁদ, সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী আন্না খাতুন প্রমুখ। সভায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র, সংরক্ষিত ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

১২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ