বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, খুন হয়েছে হিজড়া কারিশমা!

  • আপলোড তারিখঃ ০৭-১১-২০২০ ইং
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, খুন হয়েছে হিজড়া কারিশমা!
ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহের আলোচিত খুন কারিশমা হিজড়ার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পেয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাপেক্ষে পুলিশ জানায় প্রথমে হত্যা করে পরে আত্মহত্যায় রূপ দিতে তাঁকে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এখন প্রশ্ন উঠেছে কারিশমা হিজড়ার আসল খুনি কে? আর কেনই বা তাকে খুন করা হলো? এদিকে পুলিশ বলছে খুনিদের গ্রেপ্তার করা হলে মোটিভ ও ক্লু উদ্ধার করা যাবে। পুলিশ জানায়, এ বছরের গত ৯ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার উদয়পুর গ্রামের নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় কারিশমা (৪০) হিজড়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কারিশমা সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের মৃত সুলতান আলীর সন্তান। কথিত আত্মহত্যার ধরণ দেখে পুলিশ প্রথম থেকেই সন্দেহ করে পরিকল্পিতভাবে কারশিমাকে খুন করা হয়েছে। পুলিশসহ সরকারের একাধিক টিম এই হত্যার রহস্য উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে। তদন্তের কাজও অনেক দূরে এগিয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪/৫টি সংস্থা একযোগে কাজ করছে। তিনি আশা করেন খুব দ্রুত ঘাতক চক্রকে ধরা যাবে। তিনি আরও বলেন, হিজড়াদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, সম্পত্তি আত্মসাৎ এমনকি তৃতীয় কোন পক্ষ এই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, কারশিমা হিজড়া উদয়পুর গ্রামে যখন বাড়ি তৈরি শুরু করেন, তখন একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ চাঁদা দাবি করে। এছাড়া ঝিনাইদহ ও কোটচাঁদপুরের হিজড়াদের একটি গ্রুপ তার উপর ক্ষিপ্ত ছিল। এসব মিলিয়ে কারিশমা হিজড়াকে খুব ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে। কারিশমার বড় ভাই নুরুন্নবী বলেন, উদয়পুর গ্রামের ওই বাড়িতে কারিশমা একাই থাকতো। সম্প্রতি অন্যত্র বাড়ি তৈরি করায় শহরের টার্মিণাল এলাকার কাজল নামের এক ব্যক্তির কাছে তিনি বাড়িটি বিক্রি করার জন্য বায়না করেন। ঘটনার দিন ওই বাড়িতে ক্রেতারা গেলে তার লাশ দেখতে পায়। বিছানায় বসা অবস্থায় ফ্যানের সাথে ঝুলে ছিল কারিশমার মৃতদেহ। সম্পত্তি, নগদ টাকা ও গহনার কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে তার দাবী করেন তার পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। তবে খুনের ৬৭ দিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।


কমেন্ট বক্স
notebook

সীমান্তে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ