অস্ত্র প্রদর্শন করে ৬ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ
- আপলোড তারিখঃ
০৪-১০-২০২০
ইং
আলমডাঙ্গা ডাউকি ইউপির উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগকালে তাঁকেসহ ৬ জনকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হুসাইন। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় পোয়ামারী গ্রামে গণসংযোগকালে প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার দলীয় প্রার্থী তরিকুল ইসলামের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।
গতকাল শনিবার রাত ১০টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হুসাইন বলেন, ‘আমি শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ৩টি মোটরসাইকেলে করে ৬জন কর্মি নিয়ে গণসংযোগে পোয়ামারী গ্রামে যায়। এসময় পোয়ামারী গ্রামের ব্রিজের নিকট অবস্থিত দোকানে থাকা কয়েকজনের সাথে কথা বলার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার দলীয় মনোনীত প্রার্থী তরিকুল ইসলামের ৫ জন ক্যাডার পিস্তল, রামদা, হাতুড়ি ও চাপাতি নিয়ে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা আমাকেসহ আমার কর্মী ডাউকি গ্রামের হাকিম উদ্দীন, সাজিদ মাহমুদ রোমিও, হাসিবুল, সেলিম ও ছত্রপাড়া গ্রামের জহুরুলকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। আমরা হামলাকারীদের চিনতে পেরেছি। হামলাকারীরা হলেন- বক্সীপুরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী জেকের, মাদ্রাসাপাড়ার বাদশা, গোবিন্দপুরের সাকিব, রকি, শিহাব ও টিটোন। এদের মধ্যে জেকের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন আমার ও আমার কর্মীদের উপর এ ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে, যাতে আমি ভয়ে নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে চলে যায়। এই সংবাদ সম্মমেলনের মাধ্যমে আমি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিকট আমার ও আমার কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অধিকারের জন্য আবেদন করছি। একইসাথে গণসংযোগকালে আমার ও আমার নিরাপরাধ কর্মীদের উপর হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
কমেন্ট বক্স