সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কিশোর অপহরণের নাটক, গৃহশিক্ষক আটক

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-১২-২০১৯ ইং
কিশোর অপহরণের নাটক, গৃহশিক্ষক আটক
আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার পাঁচকমলাপুর থেকে হালসায় নানীর বাড়িতে যাওয়ার পথে সজিব (১৫) নামের এক কিশোরকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে ওই কিশোরের পরিবার। অভিযোগপ্রাপ্তির পর ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরের গৃহশিক্ষককে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, আলমডাঙ্গার পাঁচকমলাপুর গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী কলম উদ্দিনের ছেলে সজীব তার নানীর বাড়ি কুষ্টিয়ার ইবি থানার ডাগরুভিটা খেজুরতলা গ্রামে থেকে লেখাপড়া করত। সে হালসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র। গতকাল শনিবার সে তার মায়ের কাছে পাঁচকমলাপুর গ্রামে আসে। মায়ের সঙ্গে দেখা করে নানীর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয় সে। আধাঘণ্টা পর কিশোর সজীবের মোবাইল থেকে ফোন করে তাঁর স্বজনদের কাছে জানানো হয় তাকে অপহরণ করা হয়েছে, তার মুক্তির জন্য তিন লাখ টাকা দিতে হবে। এ ঘটনার পর ওই কিশোরের দুই খালু দহকুলা গ্রামের শাহীন আলী, বড় খালু সাজেদ এবং ওই কিশোরের গৃহশিক্ষক খেজুরতলা গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে রাশেদুল আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দিতে আসেন। তাঁরা পুলিশকে জানান, কয়েকদিন আগে একটি মোবাইল থেকে কিশোর সজীবের মায়ের কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে জানানো হয়, টাকা না দিলে তাঁর ছেলেকে অপহরণ করা হবে। এ ঘটনা জানিয়ে কিশোরের ছোট খালু শাহিন আলী থানায় অপহরণ মামলা করেন। বিষয়টি জানার পর আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান যে মোবাইল নম্বর থেকে ওই কিশোরের মায়ের কাছে টাকা চাওয়া হয়, সেই নম্বর সিআইডির কাছে পাঠান। সিআইডি প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই নম্বর কিশোর সজীবের বলে জানতে পারেন। ওই নম্বর দিয়ে তার বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়দের সঙ্গে সে কথা বলেছে। ওসি তাদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হন নম্বরটি সজীবের। ওই নম্বর দিয়ে তার গৃহশিক্ষক রাশেদুল ইসলামের সঙ্গেও একাধিকবার কথা হয়েছে সজিবের। নম্বরের বিষয়টি না জানানোর অপরাধে রাশেদুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। অপহরণ নাটক সাজিয়ে পালিয়ে থাকা কিশোরকে খুঁজে এনে শিক্ষককে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার দুই খালু শাহিন ও সাজেদকে জানানো হয়। ওসি জানান, বিষয়টি প্রথম থেকেই সন্দেহজনক বলে মনে হয়েছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নতুন ওসি মনিরুজ্জামানের যোগদান