ছাত্রলীগ নেতা জ্বীম-হিমেলসহ ৭ জন কারাগারে!
- আপলোড তারিখঃ
০১-১১-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাড. শফির ওপর হামলার ঘটনা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি), জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফির ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার এজাহারনামীয় সাত আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই মামলার চারজন এজাহারনামীয় আসামি সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামিকে কোর্ট মোড় থেকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করলে তাঁদেরও জেলহাজতে প্রেরণ করেন আদালত। সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণকারী চারজন হলেন জীম, হিমেল, রিমন ও আকাশ। এ ছাড়া পুলিশের হাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন রকি, রানা ও কালাম।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফির ওপর হামলার ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামি ছাত্রলীগের নেতা চুয়াডাঙ্গা শহরের হকপাড়ার জ্বীম, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জ্বীনতলা-মল্লিকপাড়ার হিমেল, হাসপাতাল এলাকার রিমন ও শান্তিপাড়ার আকাশ গতকাল সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল আদালতে আতœসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। এ ছাড়া গতকাল দুপুরের দিকে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট মোড় এলাকা থেকে ওই মামলার অপর তিন আসামি মাঝের পাড়ার রকি ও রানা এবং আরামপাড়ার কালামকে আটক করে শহর ফাঁড়ি পুলিশ। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের সদর থানার হেফাজতে সোপর্দ করলে গতকালই তাঁদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত তাদেরও জেলহাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে চুয়াডাঙ্গা রেলবাজার এলাকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি), জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফিকে কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে একদল যুবক এসে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যান। স্থানীয় ব্যক্তিরা আহত শফিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। ঘটনার পরপরই চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে অ্যাড. শফির স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করলে আসামিরা সবাই আত্মগোপনে চলে যান।
কমেন্ট বক্স