চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে শিক্ষকের মানববন্ধন
- আপলোড তারিখঃ
০৬-০৫-২০১৯
ইং
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও ভাতা কর্তনের প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা জাতীয়করণ ও কল্যাণ ট্রাস্ট-অবসর ভাতা ১০ শতাংশ কর্তনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে গতকাল রোববার সারা দেশে জেলা পর্যায়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি চুয়াডাঙ্গায়ও পালিত হয়।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে সকাল ১১টায় শহরের কেদারগঞ্জ নতুনবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ আয়োজন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা-জীননগর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর দাড়িয়ে দাবি আদায়ের নানা বিষয় নিয়ে প্রতিবাদী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক শেখ সেলিম। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতির সহ-সভাপতি রিপন আলী, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও এমএ বারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ, জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফোরকান আলী। সমাবেশ পরিচালনা করেন একরামুল হক সোহেল।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ৫ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে- বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দের চাকুরী জাতীয়করণ, অবসর ভাতা-কল্যাণ ট্রাস্টের শতকরা ৬ শতাংশের পরিবর্তে বর্ধিত ১০ শতাংশ কর্তনের প্রতিবাদ, শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দের পেনশন প্রথা চালু করণ, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা চালুকরণ এবং স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিও ভুক্তিকরণ।
প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে এই খাতে ৬% কর্তন করা হতো। কিন্তু ১৫ এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনে তা বাড়িয়ে ১০% করা হয়। শিক্ষক-কর্মচারিগণ তা অবৈধ বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানান এবং পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বাড়ী ভাড়া ঈদের আগেই প্রদানের জোর দাবি জানান।
মেহেরপুর:
মেহেরপুর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাষ্টের শিক্ষক-কর্মচারীদের ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মেহেরপুর জেলা জমিয়াতুল মোর্দারেছীন এর উদ্যোগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাষ্টের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন হতে অতিরিক্ত ৪% কর্তনের ১৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জেলা শাখার সভাপতি ওয়াজেদ আলীর নেতৃত্বে মানববন্ধনে সহসভাপতি আ. রাজ্জাক, সম্পাদক আ. কাদের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়। জেলা প্রশাসক আতাউল গনি স্মারকলিপি গ্রহন করেন।
কমেন্ট বক্স