সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

‘মার খেতি খেতি জীবন শেষ হইয়া গেল’

  • আপলোড তারিখঃ ২০-০৩-২০১৯ ইং
‘মার খেতি খেতি জীবন শেষ হইয়া গেল’
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বিয়ের ৩০ বছরে ৩০টা দিনও শান্তি পায়নি, স্বামীর হাতে মার খেতি খেতি জীবন আমার শেষ হইয়া গেল’। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ব্যাথায় কান্না জড়িত কন্ঠে এভাবেই নিজের কষ্টের কথা বলছিল এক নারী। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল নতুন পুরানো অসংখ্য ক্ষত চিহ্ন। আহত এই নারীর কাছে তার শরীরের আঘাতের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘৩০ বছর ধরে এভাবেই প্রতিনিয়ত স্বামীর হাতে মার খেয়ে বেঁচে আছি। ঠিকমত কাজ করে না, তিন বেলা ঠিকমত খাবারও জোটেনা, ঠিকমত মেলেনা পোশাক। বলতে গেলেই পেটায়।’ ‘গত দুইদিন আগেও ছোট একটা কারণে আমাকে মেরেছে। আজকে (গতকাল) সন্ধ্যায় সংসারের অভাব নিয়ে কথা বলতে গেলে বাশঁ দিয়ে আমাকে ইচ্ছে মতো পেটায়। প্রতিবাদ করতে গেলে আরো বেশি মার খেতে হয়’। স্বামীর হাতে নির্যাতিত এই নারী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের টেইপুরের আমদ আলীর মেয়ে ও দামুড়হুদা উপজেলার কুড়লগাছি ইউনিয়নের বড় বলদিয়া গ্রামের শেখপাড়ার আবু হোসেনের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৪৫)। জানা যায়, ৩০ বছর পূর্বে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের বড় বলদিয়া গ্রামের শেখপাড়ার জান আলীর ছেলে আবু হোসেনের (৫০) সাথে বিয়ে হয় তার। একে এক তিনটি ছেলের মা হয়েছেন আলেয়া, তবুও পরিবর্তন হয়নি আবু হেসেনের স্বভাবের। গতকাল মঙ্গলবার রাতেও তার উপর শারিরীক নির্যাতন চালায় আবু হোসেন। পরে আলেয়ার মেজ ছেলে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গুরুত্বর আহত অবস্থায় আলেয়াকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নতুন ওসি মনিরুজ্জামানের যোগদান