শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

খাল খননের টাকা হরিলুট : কাজ বন্ধ করে দিলেন ইউএনও

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-০৪-২০১৮ ইং
খাল খননের টাকা হরিলুট : কাজ বন্ধ করে দিলেন ইউএনও
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার গহেরপুরে খাল খননের নামে ৬৫ লাখ টাকা বরাদ্ধ এনে হরিলুটের পরিকল্পনা করেছে কামরিয়া-পাকশিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কতিপয় কর্তারা। শর্ত ভঙ্গ করে নিজের ইচ্ছামত নামকাওয়াস্তে খাল খনন করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সমিতির বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে গতকাল মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী। খাল খননের কাজে অনিয়মের সত্যতা পেয়ে সাময়িকভাবে খাল খননের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। ফলে সমিতির সভাপতি আ.লীগ নেতা আরিফ শুরু করেছে দৌঁড়ঝাপ। এলাকাবাসির অভিযোগে জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের গহেরপুর গ্রামের কামরিয়া-পাকশিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি খাল খনন করে বর্ষা মোরসুমে কামরিয়া বিলের পানি নিষ্কাষন করতে বিভিন্ন শর্তে ২ কি.মি. খাল খননের জন্য ৬৫ লাখ ৭৬ হাজার ৬শ ১১ টাকা বরাদ্ধ পায়। যেখানে ২নং শর্তে ১৫টি এলসিএস দল গঠন পূর্বক চুক্তি সম্পাদন করা, ৫নং শর্তে কাজটি পরিবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা, ৬নং শর্তে কাজ শুরুর পূর্বে কাজের স্থলে সাইনবোর্ড টাঙ্গানো এবং সাইড অর্ডার বহি রাখা, ৭নং শর্তে ৩০ শে এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ করে যথাযথ দপ্তরকে জানানো। শর্ত পূরণের ধার না ধেরে ঢাকা থেকে ড্রেজার মেশিন ভাড়া করে গত ২৯ মার্চ খাল কাটার কাজ শুরু করে সমিতির সভাপতি। কামরির বিলে যাদের জমি আছে তাদের অনেকেই অভিযোগের সুরে বলেন, মালিকানা জমিতে বর্তমানে অনেক পুকুর হয়ে গেছে। যেখানে মাছ চাষ হয়। যে খাল কাটা হচ্ছে সে খালের ওপর ৬টি ব্রীজ এবং ১টি সুইজ গেট আছে। তিন থেকে সাড়ে তিন ফিট খাল খনন করা হচ্ছে। ব্রীজের নিচে খনন হবে কি ভাবে? তাহলে কি ৬টি ব্রীজ ভেঙ্গে নতুন করে কি ব্রীজ তৈরী হবে? সব চেয়ে বড় কথা বর্ষমোরসুমে বিলের পানি যে খাল দিয়ে চিত্রা নদীতে যাবে সে চিত্রা নদী এখন মৃত প্রায়। সে চিত্রা নদী খনন না করে খাল খনন করা আর বরাদ্ধের টাকা জলে ফেলা সমান কথা। নিচের পানি ত আর উপরে যাবে না। বরঙ খাল খননের ফলে চিত্রার পানি খাল দিয়ে কামরির বিলে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাল খননের ফলে জনগণের কোন উপকার না হলেও কতিপয় ব্যক্তি লাভবান হবে। এমন প্রকল্পর মাধ্যমে সরকারী টাকা হরিলুট ছাড়া আর কিছুই না। তার পরও যে সমিতির নামে অর্থবরাদ্ধ হয়েছে সে সমিতর ব্যাপারে খোজ খবর নেয়া দরকার। কারা এর সদস্য। এটা একটি পারিবারিক সমিতি বলে আমারা জানি। এ ব্যাপারে মসিতির সভাপতি আরিফ বলেন, ওই সমিতির সভাপতি আমি। বর্ষা মৌসুমে বিলের পানি বের করে এলাবাসির উপকার করার চেষ্টা করছি মাত্র।


কমেন্ট বক্স
notebook

অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত শাহপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ জিয়াউর রহমান