১৩ জামায়াত নেতাকর্মীর আত্মসমর্পণ : জেলহাজতে প্রেরণ
- আপলোড তারিখঃ
২০-০৩-২০১৮
ইং
দর্শনায় পুলিশের গুলিতে জামায়াত কর্মী রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায়
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদার দর্শনায় পুলিশের গুলিতে শিবির কর্মী কলেজ ছাত্র রফিকুল ইসলাম (২২) হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণকারী ১৩ জন জামায়াত নেতাকর্মীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে তারা বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক মুস্তাফিজুর রহমান তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার আসামী হলেন- দামুড়হুদা উপজেলার রামনগর গ্রামের খায়ের উদ্দীনের ছেলে শামসুল ইসলা, একই উপজেলার দলকা-লক্ষীপুর গ্রামের জয়নাল মন্ডলের ছেলে আয়নাল হক, চন্দ্রবাস গ্রামের গোলামের ছেলে আব্দুল খালেক, একই গ্রামের মিনহাজ উদ্দীনের ছেলে মাওলানা শেখ সাদী, হোগলডাঙ্গা গ্রামের রফিক উদ্দীনের ছেলে ইসমাইল, নাটুদহ গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে মাওলানা ফজলুল হক, সড়াবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে জামাত আলী, একই গ্রামের মোন্নাফ মোল্লার ছেলে আব্দুল হান্নান মোল্লা, চুয়াডাঙ্গা সদরের সিলিন্দীপাড়ার আহাদ উদ্দীনের ছেলে আব্দুল মান্নান, একই এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল জলিল, জহির উদ্দীনের ছেলে জালাল উদ্দীন, সুজায়েতপুর গ্রামের ফকির চাঁন গাজীর ছেলে শামসুল ইসলাম ও সদরের বিনোদপুর গ্রামের ওহিদুল ইসলাম হ্যাবার ছেলে আশরাফুল ইসলাম। আটক ১৩ জনই শিবিরকর্মী রফিকুল ইসলাম (২২) হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি এবং এ মামলায় হাজিরা না দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত আত্মগোপণে ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর দর্শনায় পুলিশের গুলিতে রফিকুল ইসলাম (২২) নামে এক শিবিরকর্মী নিহত হয়। এসময় আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর দর্শনা বাজারে জামায়াত শিবিরের ৫ শতাধিক কর্মী একটি পূজা ম-পে হামলা চালায়। এতে জামায়াত শিবির কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ ১৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। ওইদিন বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে জামায়াত শিবিরের শীর্ষ বেশ কয়েক জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৫শ নেতাকর্মীর নামে মামলা দায়ের করে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় পুলিশের গুলিতে নয়; রেললাইনের লোহায় মাথায় আঘাত পেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
কমেন্ট বক্স