সাংবাদিকদের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ ভেস্তে দিল পুলিশ
- আপলোড তারিখঃ
১৫-০৩-২০১৮
ইং
অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রীর সাথে শিক্ষকেরই বিয়ে!
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিয়ে বাড়ি। সর্বত্র সাজ সাজ রব। একটু পরেই বর আসবে। সব কিছু ঠিকঠাক কনের বাড়িতে। ঠিক এমনি এক সাংবাদিককের কাছে সংবাদ পেয়ে বরের বদলে প্রবেশ করল পুলিশ আর সাংবাদিক বিনা নিমন্ত্রণে। এসেই তারা জানিয়ে দিল, এ বিয়ে হবে না। কারণ, পাত্রী অপ্রাপ্তবয়স্ক। মুহূর্তেই বদলে গেল বাড়ির চিত্র। আনন্দের বদলে বিয়েবাড়িতে শুরু হল ছোটাছুটি। গতকাল বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী ইউনিয়নের পুরাতন বাস্তবপুর গ্রামে মন্ডলপাড়ায়। আলমডাঙ্গা থানার দুল্লোভপুর ক্যাম্প পুলিশ জানায় উপ-পরিদর্শক শাহিন বলেন, এই গ্রামের মেয়ে সাইমা খাতুন (১৫) হারদি নার্গিস ইসলাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সঙ্গে পারিবারিক ভাবে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক পলাশ মল্লিকের (২৭) বিয়ে ঠিক হয়। গত সোমবার রাতে বিয়ের সময় নির্ধারিত ছিল। এ কারণে বিয়েবাড়িটি ছিল উৎসবমুখর। চারদিকে আলোর রোশনাই ও সানাইয়ের সুর বাজতে থাকে বিকেল থেকে। রাতে পাত্রীর বাড়ির সবাই বরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। রাত ৭ টার দিকে সেখানে দৈনিক সময়ের সমীকরণের সাংবাদিক ও পুলিশ পৌছে ওই ছাত্রীর মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে তাঁরা বিয়ে বন্ধ করতে রাজি হন। পুলিশ বলেন,, ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীটির বিয়ে হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা বিয়েটি বন্ধ করেছি। বাল্যবিবাহ আইনত দ-নীয় জানালে তার অভিভাবকরা ভুল বুঝতে পেরে বিয়ে বন্ধ করতে রাজি হন। বাল্যবিয়েটি ভেঙ্গে দেন এবং ছাত্রীকে প্রাপ্ত বয়স (১৮ বছর) পূর্ণ হওয়ার পর বিয়ে দিবেন বলে অঙ্গিকার করেন ছাত্রীর পরিবার। এদিকে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল সাংবাদিক ও পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
কমেন্ট বক্স