শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার দাবীতে

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০৩-২০১৮ ইং
মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার দাবীতে
একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন দর্শনা অফিস: সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সকল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবীতে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের উদ্যোগে জেলা আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আদলে চুয়াডাঙ্গা জেলার ন্যায় সারা দেশে সব জেলায় আহবায়ক কমিটি গঠণের দাবী করেন এ কমিটি। চুয়াডাঙ্গা জেলা এ মুক্তিযোদ্ধা আহবায়ক কমিটিতে যারা আছেন এরা হলেন, দামুড়হুদা উপজেলার পাকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত রহিম বক্্র বিশ্বাসেন ছেলে সাবেক থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বিল্লাল হোসেন আহবায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট চুয়াডাঙ্গা জেলা আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সদস্যদের মধ্যে দামুড়হুদার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, চুয়াডাঙ্গার বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন ও মোস্তফা খান, আলমডাঙ্গার সেলিম উদ্দিন ও জীবননগর উপজেলার আবু বক্কর সিদ্দিককে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়। সদস্য সচিব করা হয় আলমডাঙ্গার খাইরুল ইসলাম। এছাড়া দামুড়হুদা উপজেলার রেজাউল করিম, পীর মোহাম্মদ, আয়ুব আলী, চুয়াডাঙ্গা উপজেলার হাফিজ উদ্দিন, মাহাতাব উদ্দিন, কে এম জোহা, সোহরাব উদ্দিন, আলমডাঙ্গা উপজেলার আব্দুল কুদ্দুস, মুরাদ আলী ও শেখ আমিন উদ্দিন। জীবননগর উপজেলার সাইদুর রহমান, মজিবর রহমান, জলিল উদ্দিন ও আব্দুল ওয়াহেদকে সদস্য করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৭ মার্চ-২০১৮ তারিখে কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবির আহাদ, সদস্য সচিব আবুল বাশার স্বাক্ষরিত একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির ২১ সদস্য বিশিষ্ট চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন। এ কমিটির উদ্দেশ্য দেশে বিভিন্ন সময়ে সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নানা গোজাঁমিল সংঙ্গা দিয়ে হাজার হাজার অ-মুক্তিযোদ্ধা এমনকি রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে ফেলেছে। ইতোমধ্যে ভারতীয় তালিকা ব্যতিত লাল মুক্তিবার্তা গেজেটেও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ৫০/৬০ হাজার ভুয়া মক্তিযোদ্ধা রয়েছে বলে বিল্লাল হোসেন বলেন আমরা জানি। এছাড়া মক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সাবেক প্রতিমন্ত্রি এবিএম তাজুল ইসলাম ও বর্তমান মন্ত্রি আ.ক.ম মোজাম্মেল হক জাতীয় সংসদে একাধিকবার উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা দাড়িয়েছে ২লাখ ১৫ হাজারের উর্ধে। এর মধ্যে ৬০ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিতাড়িত করণ ও যদি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তালিকার বাইরে থাকে তাদের অর্ন্তভুক্ত করার দাবীতে গত বছরের প্রথম দিকে বর্তমান মন্ত্রি নেতৃত্বে একটি নির্দেশিকা তৈরী করে ভারতীয় তালিকা ও লাল মুত্তিবার্তা যাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। গেজেট ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সনদধারীসহ অনলাইনে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে সারা দেশে উপজেলা ও থানাধীন মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কমিটি গঠন করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বাতিল ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অর্ন্তভুক্ত করার কার্যক্রম গ্রহন করা হয়। সেই তালিকা বাস্তবায়নের লক্ষে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের উদ্যোগে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এ আহবায়ক কমিটি গঠন করে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রকৃত বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করার দাবীতে এ আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে বলে কমিটির সদস্যরা জানান।


কমেন্ট বক্স
notebook

অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত শাহপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ জিয়াউর রহমান