শিক্ষা ক্যাডারে সাড়ে ১২ হাজার নতুন পদ
- আপলোড তারিখঃ
২৪-০২-২০১৮
ইং
সমীকরণ ডেস্ক: নতুন সাড়ে ১২ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রশাসনে কমপক্ষে চারটি পদ জাতীয় বেতন স্কেলের প্রথম গ্রেডে পদোন্নতির মাধ্যমে পুরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত কর্মকর্তাদের দীর্ঘ দিনের দাবি ২য় গ্রেড পাচ্ছে আরও ৭টি পদ। আর ৩য় গ্রেড ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৫২৪টি করা হচ্ছে। এই পদগুলো সৃষ্টি হলে শিক্ষা ক্যাডারের পদ সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন হবে বলে মনে করছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারকরা। গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এ নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো পদ সংযোজন-বিয়োজন করে একটি কাঠামো ঠিক করে দেয়। গতকাল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে এক বৈঠকে খুঁটিনাটি আরও সংশোধন-পরিমার্জন করে চূড়ান্ত করা হয়েছে প্রস্তাবটি। এটি এখন জনপ্রশাসন হয়ে যাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। এর পর সচিব কমিটির অনুমোদনের পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। চূড়ান্ত করা নতুন প্রস্তাব অনুসারে, নতুন ১২ হাজার ৫৮৮টি পদের মধ্যে অধ্যাপক থাকছেন ১ হাজার ৩৮৫ জন, সহযোগী অধ্যাপক ৩ হাজার ৩৫৬ জন, সহকারী অধ্যাপক ৪ হাজার ৩৫১ জন এবং প্রভাষক হবেন ৩ হাজার ৪৯৬ জন। বর্তমানে ১৫ হাজার ৪১টি পদের মধ্যে অধ্যাপক রয়েছেন ৫৩৩, সহযোগী অধ্যাপক ২ হাজার ২১২, সহকারী অধ্যাপক ৪ হাজার ২৮৬ এবং প্রভাষক ৮ হাজার ৩০ জন।
জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান ও 'জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি'র (নায়েম) মহাপরিচালক পদটি শিক্ষা ক্যাডারের তৃতীয়, কখনওবা চতুর্থ গ্রেডের অধ্যাপকরা দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কলেজ ও মাধ্যমিকের দুইজন পরিচালক একইভাবে চলতি দায়িত্ব দিয়ে নিয়োগ দেয় সরকার। এখন এই চারটি পদ তৃতীয় গ্রেডে পদোন্নতির মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। ফলে এখানে যে কাউকে আর বসানো যাবে না। সিনিয়রিটির ভিত্তিতে ৩য় গ্রেডের অধ্যাপকরাই এখানে পদায়ন পাবেন। পদ সোপান তৈরি করে শিক্ষা ক্যাডারে ৭টি পদ দ্বিতীয় গ্রেডে দেওয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দ্বিতীয় গ্রেডের জন্য প্রথমে ৪৬টি, পরে ৪০ পদ চাওয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সেটি ৭টি নির্ধারণ করে দিয়ে অনুমোদন দিয়েছে। আর তৃতীয় গ্রেডে ৪৮টি থেকে বাড়িয়ে ৫২৪ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘ ৪৭ বছরের ইতিহাসে শিক্ষা ক্যাডারে এ কাজ হয়নি। তৃতীয় গ্রেড থেকে দ্বিতীয় গ্রেডে পদোন্নতি দেওয়া হবে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। এখানে শিক্ষা ক্যাডারে যোগদানের তারিখ ধরে এ সিনিয়রিটি দেওয়া হবে।
কমেন্ট বক্স