শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কোটা সংস্কার আন্দোলনে উসকানি দেখছে সরকার

  • আপলোড তারিখঃ ০৫-০৭-২০১৮ ইং
কোটা সংস্কার আন্দোলনে উসকানি দেখছে সরকার
ক্স কোটা পর্যালোচনায় ৮ জুলাই বসছে কমিটি ক্স ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে ক্স ১১ এপ্রিল সংসদে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার বা বাতিলে সরকার গঠিত কমিটি ৮ জুলাই প্রথম বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। ওই বৈঠকে কাজের ধরন ঠিক করা হবে। কমিটি বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার বা বাতিলের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে কোটা পদ্ধতি সংস্কার বা বাতিলের প্রয়োজন হলে তার যৌক্তিকতাসহ সুপারিশ করবে। ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে। সরকারের বিভিন্ন সূত্র বলছে, কোটা সংস্কারে কমিটি করা হলেও সরকার এই আন্দোলনের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা আছে বলে মনে করছে। বিশেষ করে, বিএনপি-জামায়াত নেপথ্যে থেকে এই আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে এমন অভিযোগে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাধা দিচ্ছে। যদিও কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত ব্যক্তিরা বলে আসছেন, তাঁদের আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার বা বাতিলে গত সোমবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। তবে কমিটি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে নিতে পারবে। জানতে চাইলে ওই কমিটির আহ্বায়ক ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম গত মঙ্গলবার বলেন, খুব তাড়াতাড়িই তাঁরা বসবেন, সেটা ৮ জুলাই হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার বা বাতিলের বিষয়টি পুরোপুরি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। তাঁরা এই কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে তা সরকারের কাছে তুলে ধরবেন। এরপর সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটাই চূড়ান্ত হবে। তবে তাঁরা মনে করছেন, বিদ্যমান কোটাব্যবস্থা একেবারে বাতিল হবে না। কোটা বাতিল হলে এর সুবিধাভোগীদের পক্ষ থেকে আদালতে মামলার আশঙ্কা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারি সূত্রমতে, কোটার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেওয়ার পরও এ নিয়ে আন্দোলনকে সরকার ভালোভাবে নিচ্ছে না। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত বিএনপির দাবি আদায়ের ইস্যুতে পরিণত হয় কি না, সে বিষয়েও সতর্ক সরকার। জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সদ্যবিদায়ী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই কোটার আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে। এরপর যাঁরা বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করছেন, তাঁদের পেছনে জামায়াত-শিবিরের লোক ছাড়া কেউ নেই। ছাত্রদল আছে, তাদের সঙ্গে জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে। তারা আন্দোলনকে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্ররা আন্দোলন করছেন, সরকার পতনের জন্য নয়। কারা ছাত্রদের সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছে, সেটা খুঁজে দেখা দরকার ছিল। এদিকে গত শনি, রবি ও সোমবার টানা তিন দিন কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনে নামা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। কোথাও কোথাও পুলিশের বাধার কারণে কর্মসূচি পালন করতে পারেননি আন্দোলনকারীরা।


কমেন্ট বক্স
notebook

অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত শাহপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ জিয়াউর রহমান