যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন
- আপলোড তারিখঃ
১৯-০৬-২০১৮
ইং
দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত
সমীকরণ ডেস্ক: যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরসহ সারাদেশে পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে আনন্দের এ দিন। সকালে ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পবিত্র দিনটি। এবছর চুয়াডাঙ্গায় মোট ৭১৪টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারমধ্যে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ৩৪টি, সদর উপজেলায় ২১৪টি, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ২৩৯টি, দামুড়হুদা উপজেলায় ১২৯টি এবং জীবননগর উপজেলায় ৯৮টি। সকল ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করেন মুসল্লিরা।
চুয়াডাঙ্গার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়। এ বছর চুয়াডাঙ্গা ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (চাঁদমারী মাঠ) মাঠে সকাল ৮টায় হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসুল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেন। আলমডাঙ্গায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৯টায় দারুস সালাম ঈদগাহ ময়দানে, দামুড়হুদায় প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় ডিএস দাখিল মাদরাসা ঈদগাহ ময়দানে, দর্শনায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায় কেরু’জ ফুটবল মাঠ প্রাঙ্গনে, জীবননগরে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৯টায় জীবননগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। এ ছাড়াও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ৩৪টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জাতীয় সংসদের হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন-এমপি পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১ম জামাতে পরিবারের সদস্য ও নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় পরবর্তী চুয়াডাঙ্গা কবরী রোডস্থ নিজ বাসভবনে ফিরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর তাঁর নিজ গ্রাম রঘুনাথপুর-বাস্তপুর ঈদগাহ ময়দানে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করেন। সেখানে পরিবার পরিজন, আত্মীয়-স্বজনসহ দলীয় নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় শেষে বাবার কবর জিয়ারত করেন। এরপর সরকারি শিশু পরিবারের সদস্যদের সাথে কূশল বিনিময় ও দুপুরের খাবার খান। পরে হাসপাতালের সাধারণ রোগীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর কেদারগঞ্জ পাড়াস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেকাকর্মী, পৌরবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আসাদুল হক বিশ্বাস আলুকদিয়া মনিরামপুরে নিজগ্রামে ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন। আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র হাসান কাদির গণু এরশাদপুরস্থ নিজ গ্রামের ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন। দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান দর্শনা ইসলাম বাজারপাড়ায় তার নিজ এলাকায় ঈদের জামাত আদায় করেন। পরিবারের সকলকে সাথে নিয়ে জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। নামাজ শেষে পৌর সভার ৯টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মি ও সাধারণ জনগনের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন ঈদ উদযাপন করেছেন নিজ উপজেলাধীন কুমারী গ্রামে। দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজুর রহমান জয়রামপুর পুরাতন কাউন্সিল পাড়াস্থ তাঁর নিজ গ্রামের ঈদগা ময়দানে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন। এরপর নিজ বাড়িতে ফিরে দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্খি, সাধারণ জনগণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ অমল জীবননগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেন। এরপর কবর জিয়ারত শেষে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্খি, সাধারণ জনগণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ এবারও তাঁর নিজ কর্মস্থল চুয়াডাঙ্গায় ঈদ উদযাপন করেছেন। এ বছর সকাল ৮টায় চুয়াডাঙ্গা ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (চাঁদমারী মাঠ) মাঠে সর্বস্তরের জনগণের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করেন তিনি। নামাজ শেষে সরকারি শিশু পরিবারের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে হাসপাতাল ও জেলখানা পরিদর্শনে করেন তিনি। এরপর বাসভবনে ফিরে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় মিলিত হন। রাতে পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় বাকী সময় কাটান। গতকাল সোমবার প্রথম কর্মদিবসেও তিনি ব্যস্ত সময় পার করেছেন। সকালে খুলনা বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় অংশ নেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ মোহা. রবিউল ইসলাম মেহেরপুর জেলার গাংনীতে পৈতৃক বাড়িতে ঈদ উদযাপন করেন। সকালে স্থানীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় শেষে প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয়দের সাথে কূশল বিনিময় করেন। পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ সকালে পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ লাইন্স মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। এরপর তাদের সাথেই ঈদ উপলক্ষে বড় খানায় অংশ নেন। পরবর্তী সময় পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে ও সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীব এবার ঈদ উদযাপন করেছেন মায়ের সাথে নিজ জেলা কুষ্টিয়ার দৌলৎপুরে। স্থানীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় শেষে পরিবারের সদস্য ও বন্ধু বান্ধবের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে মিলিত হন। চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল ইমাম হাসান চুয়াডাঙ্গা জাফরপুরস্থ বিজিবি’র ব্যাটালিয়ান সদর দপ্তর ঈদগাহ ময়দানে সৈনিকদের সাথে নামাজ আদায় করেন এবং কূশল বিনিময় করেন। নামাজ শেষে বিভিন্ন ক্যাম্পে কর্তব্যরত বিজিবি’র ক্যাম্প কমান্ডার ও সৈনিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। দুপুরে ব্যাটালিয়ান সদরের সকল সৈনিকদের নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। ব্যস্ত সময় শেষে পরিবারের সাথে দিনটি উৎযাপন করেন তিনি। সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকাতে ঈদ উদযাপন করেছেন।
এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদুল ইসলাম আজাদ তার নিজ গ্রামের ঈদগাহ ময়দান ঈশ্বরচন্দ্রপুরে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মন্জু দর্শনা ইসলাম বাজারপাড়ায় তার নিজ এলাকায় ঈদের জামাত আদায় করেন। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খুস্তার জামিল ও যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন চুয়াডাঙ্গার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেন। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল মল্লিক জীবননগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ পড়েন। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু চুয়াডাঙ্গায় ঈদ উদযাপন করেছেন। নামাজ পড়েন বড় বাজার জামে মসজিদে। নামাজ শেষে প্রয়াত মা-বাবা ও আত্মীয় স্বজনদের কবর জিয়ারত করেন। এরপর সারাদিন শেখ পাড়াস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্খিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। রাতে পরিবার পরিজনদের সাথে ঈদ উৎসবে সামিল হন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গা বুজরুকগড়গড়ি মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত জামাতে ঈদের নামাজ পড়বেন। পরে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্খিদের সাথে কূশল বিনিময় করেন। কেন্দ্রীয় বিএনপি’র উপ-কোষাধ্যক্ষ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শিল্পপতি আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবু এবার স্ব পরিবারে ঢাকাতেই ঈদ করেছেন। সকালে গুলশান আজাদ মসজিদে ঈদের জামাতে অংশ নেন তিনি। এরপর ঢাকাস্থ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য মো. শরীফুজ্জামান শরীফ এবার পরিবার নিয়ে পরিজন নিয়ে ঈদ করেছেন চুয়াডাঙ্গাতেই। সকাল ৮টায় চুয়াডাঙ্গা ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (চাঁদমারী মাঠ) মাঠে নামাজ আদায় করেন। এরপর পুরাতন হাসপাতালপাড়াস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে ফিরে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদ পরবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের সাথে কূশল বিনিময় করেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির আনোয়ারুল হক মালিক নিজ মোমিনপুর ইউনিয়নের ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামের ঈদগাহে নামাজ শেষে কবর জিয়ারত করেন। সেক্রেটারী মো. রুহুল আমিন নামাজ পড়েন জীবননগর উপজেলার নিজ গ্রাম ধোপাখালী ঈদগাহ ময়দানে। নামাজ শেষে নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সাথে কূশল বিনিময় করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃতি সন্তান, সাহিদ গ্রুপের চেয়ারম্যান, সিঙ্গাপুর-বাংলাদেশ সোসাইটি’র উপদেষ্টা আলহাজ্ব সাহেদুজ্জামান টরিক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিঙ্গাপুরে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছেন। সিঙ্গাপুরের মালাবরমর মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত জামাতে নামাজ পড়েন তিনি। সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ হাউজের হাইকমিশনারের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সন্ধ্যায় তাঁর নিজ বাসভবনে ঈদ আয়োজনে অংশ নেন সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার ডেরী ক্লসহ সিঙ্গাপুরস্থ প্রবাসী বাঙালী ও বিশিষ্ট জনেরা। বঙ্গজ তাল্লু গ্রুপের পরিচালক মাহবুবুল হক তাল্লু ও আতিকুল হক মিথুন বড় বাজার জামে মসজিদে ঈদের জামাতে অংশ নেন। পরে পিতা চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাবেক সাংসদ, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, বঙ্গজ তাল্লু গ্রুপের প্রতিষ্ঠানা মোজাম্মেল হকের কবর জিয়ারত করেন। এরপর ইমার্জেন্সি রোডের ‘বসবাস’ বাসভবনে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনের সাথে সময় কাটান। প্রফেসর ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদি ঈদ উদযাপন করেছেন চুয়াডাঙ্গার নিজ গ্রাম তালতলায়। স্থানীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন তিনি। নামাজ শেষে পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন এবং দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্খিদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিকেলে চুয়াডাঙ্গা-১ নির্বাচনী এলাকার সর্বসাধারণের সাথে কূশল বিনিময় করেন। ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নিবার্হী পরিচালক মহাসিন আলী তার নিজ এলাকা দর্শনা কলেজপাড়ায় ঈদ উদযাপন করেছেন। দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এনায়েত হোসেন দর্শনাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল আমিন নামাজ পড়েন নিজগ্রাম দৌলতদিয়াড় সরদার পাড়ায় ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান কচি দৌলৎদিয়াড় দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেন। বেলা ১২টা থেকে সারাদিন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকসহ সূধীজনদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ব্যস্ত সময় পার করেন তাঁরা। দৈনিক সময়ের সমীকরণ’র প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন চুয়াডাঙ্গা ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (চাঁদমারী মাঠে) মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্দ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে গত রবিবার বিকাল ৫টার দিকে জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন এমপি দলীয় নেতা কর্মিদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়মী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র হাসান কাদীর গনু। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাষ্টারের উপস্থাপনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটন, সহ-সভাপতি প্রশান্ত অধিকারি, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা ভাইস চেয়ারনম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুণ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামিম আরা, আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু মুছা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিয়ার রহমান, বিআরডিবি চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মুহিদ, চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রমূখ।
অন্যদিকে একইদিন দুপুর ১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকন তার আলমডাঙ্গা বাবুপাড়াস্থ বাসায় মতবিনিময় ও ভোজ সভার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, আলমডাঙ্গার বিভিন্ন মহলের সুধীজন, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, গতকাল সোমবার সকালের দিকে ডাক্তার মেহেদী হাসান আলমডাঙ্গার বিভিন্ন নেতাকর্মির সাথে ঈদউত্তর সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন। ঈদের পর দিন আলমডাঙ্গা পাইলট স্কুলের ৭১ ব্যাচের বন্ধু সংগঠন আমরা ৭১ আলমডাঙ্গা কলেজ মাঠে মতবিনিময় ও মধ্যহ্নভোজের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন, পৌর মেয়র হাসান কাদীর গনু, এম সবেদ আলীসহ প্রায় শতাধিক বন্ধু।
জীবননগর অফিস জানিয়েছে, গতবছরের মত এবারও জীবননগর উপজেলায় সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে জীবননগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। গত শনিবার সকাল ৯টার সময় উপজেলা আলিম আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক এই ঈদুল ফিতরের নামাজর পড়ান। নামাজের খুদবা শেষে ইমাম আব্দুল খালেক আল্লাহ্র দরবারে দেশ জাতি ও সকল মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামানায় মোনাজাত করেন। উপজেলার এই জামায়াতে পৌরসভাসহ আশেপাশের কয়েক হাজার মুসুল্লী উৎসাহ উদ্দীপনারর মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। উল্লেখ্য, এবছর উপজেলায় ১১১টি স্থানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, মেহেরপুরে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর। গত শনিবার সকালে ঈদের নামায আদায়ের মধ্যে দিয়ে ঈদ উৎসব উদযাপন শুরু হয়। নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। এর পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ ভ্রাতৃত্বকে বজায় রাখতে সালাম বিনিময় ও একে অপরের সাথে কোলাকুলি করা হয় ।
মেহেরপুরে ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে মেহেরপুর নতুন পৌর ঈদগাহ ময়দানে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এ জামায়াতে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুণ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. মারুফ আহম্মদ বিজন, সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেয়। ঈদের জামায়াতের নামাজ পড়ান মাওলানা আব্দুল হান্নান।
মেহেরপুরে ঈদের ২য় জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হয় মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের পুরাতন ঈদগাহ ময়দানে। এখানে ঈদের জামায়াতে নামাজ আদায় করেন মেহেরপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ গোলাম রসুল, পৌর মেয়র মাহাফুজুর রহমান রিটন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকশনা উপ-কমিটির সদস্য এম এ এস ইমন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী, মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রহুল কুদ্দুস টিটোসহ এলাকার মুসল্লীরা। ঈদের নামাজের ইমামতি করেন মাওলানা রোকনুজ্জামান।
মেহেরপুরে ঈদের ৩য় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে মেহেরপুর কোর্ট জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দানে। যেখানে নামাজ আদায় করেণ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনারবৃন্দ ও এলাকার মুসল্লীরা। এছাড়া সকাল ৭টায় মেহেরপুর শহীদ ড. সামসুজ্জোহা পার্কে আহলে হাদিস জামায়াতের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে নামাজ আদায় করেন মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল এনাম বকুল, মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশরাফুল ইসলামসহ আহলে হাদিস জামায়াতের অনুসারীরা সেখানে নামাজ আদায় করেন। এছাড়া মহিলারা এখানে জামায়াতে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের নামাজ আদায় করেণ।
খন্দকারপাড়া ঈদগাহে ময়দানে সকাল সাড়ে ৮ টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অ্যাড. মিয়াজান আলী, সাবেক পিপি ও বাংলাদেশ জেলা রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খন্দকার একরামুল হক হীরা, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট খোন্দকার আব্দুল মতিনসহ এলাকার মুসল্লীরা সেখানে নামাজ আদায় করেন।
আমঝুপি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহেমদ চুন্নু, সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মোল্লা, মেহেরপুর শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানসহ এলাকার মুসল্লীরা সেখানে নামায আদায় করেন। এ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর।
ঝিনাইদহ অফিস জানিয়েছে, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঝিনাইদহের হরিণাকু-ু উপজেলার ১৫ গ্রামের শতাধিক মুসল্লী গত শুক্রবার সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সকাল ৯টায় হরিণাকুন্ডু উপজেলা মোড়ের গোলাম হযরতের মিল চত্বরে এই ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামায়াতের ঈমামতি করেন মাওলানা সিরাজুল ইসলাম। জানা গেছে, হরিণাকু- শহর ছাড়াও উপজেলার কুলবাড়ীয়া, বৈঠাপাড়া, বোয়ালিয়া, চটকাবাড়ীয়া, ফলসী, শিংগা, পায়রাডাঙ্গা, ভালকী, শিতলী, নিত্যানন্দপুর, চরপাড়া, তৈলটুপী, রামচন্দ্রপুর ও দখলপুর গ্রামের শতাধিক মানুষ এই ঈদ জামায়াতে নামাজ আদায় করেন। মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে তারা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন। প্রতি বছরই তারা সৌদি আরবকে অনুসরণ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করে থাকেন।
কমেন্ট বক্স