চুয়াডাঙ্গায় কলেরা স্যালাইন পুশ করায় ১৬ রোগী অসুস্থ!
- আপলোড তারিখঃ
২৮-০৫-২০১৮
ইং
আফজালুল হক/রুদ্র মন্ডল: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির কর্তৃক কলেরা স্যালাইন পুশ করায় ১৬ রোগী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি ডাইরিয়া রোগীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল সোমবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. খাইরুল আলম, ডা. পরিতোষ কুমার ঘোষ, ডা. আবুল হোসেন পরিদর্শন করেন ও রোগীদেরকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।
জানা গেছে, গত ৩ মাস যাবত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কলেরা স্যালাইন সরবরাহ নেই। এ নিয়ে দৈনিক সময়ের সমীকরণে ২৬ মে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই দিনই সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতি কর্তৃক সদর হাসপাতালে ৫০০ রোগীর জন্য ডাইরিয়া ও কলেরা প্রতিশেধক স্যালাইন প্রদান করেন। গতকাল সকালে আলমডাঙ্গা উপজেলার রোয়াকুলি গ্রামের সুরত আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (৬০)
ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে ওই স্যালাইন তাকে পুশ করলে তার আধাঘন্টা পর কাপুনিসহ জ্বর চলে আসে। পরে ডাইরিয়া ওয়ার্ডে পর পর ১৬ জন রোগী ভর্তি হলে তাদেরকেও কলেরা স্যালাইন পুশ করা হয়। এতে তারাও কাপুনিসহ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এতে রোগীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিভিল সার্জন ডা. খাইরুল আলম, ডা. পরিতোষ কুমার ঘোষ, ডা. আবুল হোসেন ডাইরিয়া ওয়ার্ডে উপস্থিত হয় এবং রোগীদেরকে শান্ত করেন। তার ঘন্টা দু’য়েক পর অসুস্থ হওয়া রোগীরা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসে।
সিভিল সার্জন ডা. খাইরুল আলম এই প্রতিবেদককে বলেন, এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। হাসপাতাল রোগী কল্যাণ কর্তৃক দেয়া স্যালাইন দুই কোম্পানির। গতকাল অফসোনিন কোম্পানির কলেরা স্যালাইন ডাইরিয়া রোগীদের পুশ করলে রোগীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষনিক ওই স্যালাইন খুলে নতুন কেনা স্যালাইন পুশ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গত শনিবারে ডাইরিয়ায় ভর্তি রোগিদের মাঝে (বেক্সিমকো) কোম্পানির স্যালাইন পুশ করে। তাতে কোন রকমের সমস্যা হয়নি। এ দিকে (ওফসোনিন) কোম্পানির চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিকে ঘটনার পর তলব করে স্যালাইনগুলো ফেরত দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
কমেন্ট বক্স