পবিত্র রমযানে তীব্র তাপদাহে বেড়েছে গরমজনিত রোগ
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৫-২০১৮
ইং
চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিং এ জনজীবনে স্ববিরতা
নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমযান মাসে গরমের পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই কয়েকবার করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা গিয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় রাতে অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। ফলে অন্ধকারে শহরজুড়ে এক ভূতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গ্রীষ্মের তাপে পুড়ছে জনজীবন। হাঁসফাঁস করছে মানুষ। দিনে যেমন রোদের প্রতাপ, রাতে তেমন গরম হাওয়া। গেলো কয়েকদিনে যেমন বেড়েছে গরমজনিত রোগব্যাধী তেমন বেড়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ফলে চাকরিজীবী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং শিশু-বৃদ্ধ সবাই গরম ও তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। চলতি মাসে প্রায়ই লোডশেডিংয়ে দেখা দিয়েছে চাপা ক্ষোভ। তবে চুয়াডাঙ্গা শহরসহ জেলার পৌর এলাকাগুলোতে লোডশেডিং অপেক্ষাকৃত কম। তারপরও দিন-রাত মিলিয়ে তিন থেকে চারবার লোডশেডিং হচ্ছে অনেক এলাকায়। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না থাকায় গ্রামাঞ্চলে কম বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। ফলে সেখানে লোডশেডিং বেড়েছে। ফলে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে নাজুক হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক কাজকর্ম।
এদিকে, ঘাম ঝরানো গরমে ঘরে ঘরে নানা ধরনের অসুখ বিসুখে ভুগছেন শহরবাসী। বৃদ্ধ ও শিশুদের ত্রাহি অবস্থা। পানিশূন্যতাজনিত রোগবালাইতো বাড়ছেই, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, কাশি, জ্বর, গলা বসাসহ নানা ধরনের অসুখ। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এসময় এটিই স্বাভাবিক তাপমাত্রা। জ্যৈষ্ঠ মাসে বেশি গরম অনুভূত হয়ে থাকে। হুট করে গরমের তারতম্যে তৈরি হয়েছে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি। চিকিৎসকগণ জানান, গরমের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে শুধু শিশু নয়, সবাইকে বেশি করে পানি খেতে হবে। বিশেষ করে লেবুর শরবত, ডাবের পানি, স্যালাইন খেতে হবে। তাহলে শরীরে পানিশূন্যতা হলেও সে জায়গায়টা পূরণ হবে। এতে করে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে। তাপমাত্রার সঙ্গে গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিশেষ করে দরিদ্র কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বেশি।
কমেন্ট বক্স