শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চাঁদা নিতে এসে দুই যুবক পুলিশের হাতে পাকড়াও!

  • আপলোড তারিখঃ ১১-০৪-২০১৮ ইং
চাঁদা নিতে এসে দুই যুবক পুলিশের হাতে পাকড়াও!
আপত্তিকর ভিডিও’র কথা বলে ব্লাকমেলিং : ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার গোবিন্দপুর গ্রামের এক মহিলার কাছে চাঁদা নিতে এসে আশরাফুল হক (২৩) নামের এক যুবক আটক হয়েছে। আপত্তিকর ভিডিওর কথা বলে ব্লাকমেলিং করে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করার একপর্যায়ে গতকাল মঙ্গলবার পাঁচকমলাপুর গ্রামের ওই যুবক গোবিন্দপুর আসলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে চাদাবাজির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল হোতা ইমরানকে অবশেষে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুর ১টার দিকে আলমডাঙ্গার কলেজপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের পাঁচকমলাপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২৩) ও একই গ্রামের রুস্তম মেম্বারের ছেলে ইমরান (২৫) চুয়াডাঙ্গার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গায় ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং শাখায় চাকুরী করে। চাকরীর সুবাদে তাদের সাথে আলমডাঙ্গা কলেজপাড়ার প্রবাসী মোশারফ হোসেনের স্ত্রী সেলিনা খাতুন (৪০) পরিচয় হয়। সেলিনা খাতুন দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে স্বামীর বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা উত্তোলন করে আসছে। কথিত আছে আছে সেলিনা খাতুনের সাথে ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এক কর্মকর্তার সাথে পরকীয়া সম্পর্ক আছে। সেলিনা ব্যাংকের কাজে চুয়াডাঙ্গায় আসলে সুযোগ বুঝে তাদের অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে বলেও জানা যায়। আশরাফুল ও ইমরান অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তারা দুইজন মিলে গোপনে ওই ব্যাংক কর্মকর্তা ও প্রবাসীর স্ত্রীর অনৈতিক কাজের ভিডিও ধারন করে। পরবর্তীতে অনৈতিক কাজের ভিডিওটিকে পুজি করে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। গতকাল ওই চাঁদার টাকা আনতে গিয়ে পুলিশের হাতে প্রথমে আশরাফুল ও পরে ইমরান আটক হয়। তবে এঘটনার পর আশরাফুল ও ইমরান পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চুয়াডাঙ্গা ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং শাখার ম্যানেজার মনিরুল ওরফে মনিরকে ঘটনার মুল হোতা বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই ব্যাপারে সেলিনা খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কারো সাথে আমার কোন অনৈতিক সম্পর্ক নেই। এবং আরো বলেন ইমরানের সাথে আমার ধর্ম আত্মীয়ের সম্পর্ক রয়েছে। সেই টাকার লোভে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ভিডিও’র নাটক সাজিয়েছে। এই ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানার এএসআই আসাদ বলেন, আশরাফুল চাঁদার টাকা নিতে এলে তাকে আটক করি। তার স্বীকারোক্তিতে পরে তার অপর সহযোগী ইমরানকে আটক করি।এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। তবে মূল ঘটনা কি সেটা তদন্ত করা হচ্ছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত শাহপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ জিয়াউর রহমান