দামুড়হুদা উপজেলার ৩ নম্বর কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের আলোচিত নিকাহ রেজিস্ট্রার সামসুল হকের নিকাহ্ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স গত ৪ আগস্ট বাতিল করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া বালাম বইসহ যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংগ্রহ করার জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আবদুল ওয়াহাব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তার লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় গোপনে বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিতরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, দামুড়হুদা উপজেলার ৩ নম্বর কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মো. সামসুল হকের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের অভিযোগ জেলা রেজিস্ট্রার চুয়াডাঙ্গা কর্তৃক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এবং অভিযুক্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৯ এর ২০ বিধির বিধান লঙ্ঘন, নিজ অধিক্ষেত্র তথা সংলগ্ন অধিক্ষেত্রের বাহিরে ভিন্ন জেলায় অবস্থিত মেহেরপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসাবে সহকারী মৌলভী পদে চাকরি করার বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসার মেহেরপুর কর্তৃক প্রেরিত ও গত ৯/১০/২০২৫ তারিখের ৫৫১ নং স্মারকযুক্ত পত্র সহ ও জেলা রেজিস্ট্রার চুয়াডাঙ্গা কর্তৃক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এবং তা একই বিধিমালার বিধি ১১ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ হওয়ায় এবং এ প্রসঙ্গে তার কারণ দর্শানোর জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তার নামে এ বিভাগ হতে গত ৭/১১/২০১০ তারিখের বিচার ৭/২ এন ৫৬/২০০৪ ৭৭৯ নং স্মারকে ইস্যু হতে নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
এছাড়া বালাম বইসহ যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংগ্রহ করার জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সামসুল হক কাজীর লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় কার্পাসডাঙ্গার মতো বৃহৎ একটি ইউনিয়নে অতি দ্রুত নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের জোর দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
প্রতিবেদক দামুড়হুদা